kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

পানগাঁও কাস্টমসে অপ্রীতিকর ঘটনা যুগ্ম কমিশনার এনবিআরে সংযুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৪:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পানগাঁও কাস্টমসে অপ্রীতিকর ঘটনা যুগ্ম কমিশনার এনবিআরে সংযুক্ত

পানগাঁও কাস্টমসে অপ্রীতিকর ঘটনায় বুধবার এক যুগ্ম কমিশনারকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) সংযুক্ত করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অধিস্তন এক কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গত কয়েকদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন কাস্টম হাউজে মানববন্ধনসহ কলম বিরতি পালন করেছে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) ও রাজস্ব কর্মকর্তারা (আরও)। 

এ ঘটনায় ক্যাডার সার্ভিসের কর্মকর্তারা পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অনেকে এ ঘটনায় বিক্ষোভে ও মানববন্ধনে অংশ নিয়েছে। 

অন‍্যদিকে একাধিক ক্যাডার কর্মকর্তা বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছেন, ওই ক্যাডার কর্মকর্তা অধিস্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ বা দুর্ব্যবহার করলে বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে থাকলে ঘটনাটি তৎক্ষণাৎ অতিরিক্ত কমিশনার, কমিশনার, সদস্য বা এনবিআর চেয়ারম্যানকে লিখিত বা মৌখিকভাবে জানাতে পারত। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত কমিটির গঠন সাপেক্ষে দোষ-ত্রুটি নির্ণয় করে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারতেন। তাতেও ভুক্তভোগী সন্তুষ্ট না হলে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা না করে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও রাজস্ব কর্মকর্তারা রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

এ ঘটনা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এসেছে। যেই পণ্য চালান খালাস নিয়ে এ অপ্রীতিকর ঘটনার উদ্ভব হয়েছে, সে চালানটি সিআইসি বা শুল্ক গোয়েন্দা বা অন্য কোনো পক্ষের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছে অনেকে।

এ বিষয়ে বিসিএস কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ মুসফিকুর রহমান বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই মিলে কাস্টমস একটি পরিবার। এখানে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাই কাম্য নয়। এ ঘটনায় ক্যাডার কর্মকর্তা দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তবে সাধারণ আর এবং এআরওরা বলছেন, ওই কর্মকর্তা চাকরি জীবনের বিভিন্ন সময় অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারী গালমন্দ করেছেন। এটি তার নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। আইন বিরুদ্ধ কাজ হলেও তার নির্দেশনা মতো কাজ না করলে রাগারাগি করতেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে সাধারণ এআরও এবং আরওরা মাঠে নেমেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কলম বিরতি পালন করছেন। তাদের সমাবেশ থেকে অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়নি।

তারা আরো বলেন, ওই কর্মকর্তা সব সময় নিজের শক্তি এবং বুদ্ধিমত্তা জাহির করতে চান। এতে সাধারণ এআরও এবং আরওদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা