kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন

চীনা বা ভারতীয় ঋণের ফাঁদের গল্প তথ্যভিত্তিক নয়

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৩:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চীনা বা ভারতীয় ঋণের ফাঁদের গল্প তথ্যভিত্তিক নয়

বাংলাদেশে চীনা বা ভারতীয় ঋণের ফাঁদের গল্প তথ্যভিত্তিক নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু লেকচার সিরিজের প্রথম অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি আরো জানিয়েছেন, চীনা ঋণের পরিমাণ বাংলাদেশের জিডিপির ৬ শতাংশ। জিডিপিতে ভারতীয় ঋণের পরিমাণ তারও অর্ধেক।

বক্তৃতা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি প্রতিষ্ঠান। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর চেষ্টা ছিল অতুলনীয়। আগামী বছর বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি সম্মেলন আয়োজন করবে। সেই সম্মেলনে গুরুত্ব পাবে রোহিঙ্গা ইস্যু। উন্নয়নের জন্য শান্তি অপরিহার্য। মিয়ানমারে যা হচ্ছে তা অবশ্যই বন্ধ হতে হবে।

অনুষ্ঠানের মূল বক্তা সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বরাবরই শান্তির পক্ষে কাজ করেছেন। তিনি শুধু বাংলাদেশের ছিলেন না, সারা বিশ্বের জন্যই মহান ব্যক্তি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু একেবারে শূন্য থেকে রাষ্ট্র গঠন  প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন, যা বিরল। তাঁকে নিয়ে বিশ্বের অবশ্যই গর্বিত হওয়া উচিত।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় উল্লেখ করে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বঙ্গবন্ধু কখনো ভাবেননি যে বাংলাদেশের কেউ তাঁকে হত্যা করতে পারে। তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশ পুনর্গঠন করেছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাহসী, দৃঢ়চেতা ও নির্ভীক। জাতিসংঘ সমুদ্রবিষয়ক আইন তৈরির অনেক আগেই বঙ্গবন্ধু তা করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহিরয়ার আলম অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। দেশ-বিদেশ থেকে কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী, সরকারি ও বেসরকারি খাতের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা