kalerkantho

সোমবার । ১১ মাঘ ১৪২৭। ২৫ জানুয়ারি ২০২১। ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

এক মাকে বাঁচাতে অন্য মাকে ‘হত্যা’

তিন দিনেও তদন্তে অগ্রগতি নেই, গ্রেপ্তার হয়নি চার আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন দিনেও তদন্তে অগ্রগতি নেই, গ্রেপ্তার হয়নি চার আসামি

প্রতীকী ছবি

প্রতিস্থাপনের কথা বলে রওশন আরা নামের এক নারীর কিডনি কেটে নিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চার চিকিৎসক তিন দিনেও গ্রেপ্তার হননি। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। সেই সঙ্গে তদন্তেও কোনো অগ্রগতির কথা জানাতে পারেনি পুলিশ।

জানতে চাইলে গতকাল সোমবার এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি মোহাম্মদ মামুন অর রশিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বিএসএমএমইউ-এর চার চিকিৎসককে ধরতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত আছে তাদের। গুরুত্ব দিয়ে মামলার তদন্ত চলছে। আসামিদের অফিস ও বাসাসহ আরো যেসব জায়গায় তারা আত্মগোপনে থাকতে পারেন, সেসব জায়গায় নজরদারি রয়েছে। সেই সঙ্গে অভিযান চলছে তাদেরকে ধরতে। 

মামলার বাদী রফিক সিকদার গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের অপেক্ষায় আছি আমি।’ 

২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর রওশন আরা নামের ওই রোগীর ক্ষতিগ্রস্ত একটি কিডনি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করতে গিয়ে ‘পরিকল্পিতভাবে’ দুটি কিডনি অপসারণের পর রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গত শুক্রবার শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। ঘটনার দুই বছর পর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে তার ছেলে রফিক সিকদার বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করেন। তিনি পেশায় চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি মামলায় প্রধান আসামি করেছেন বিএসএমএমইউর ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক হাবিবুর রহমান দুলালকে।

অন্য তিন আসামি হলেন-একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারুক হোসেন, চিকিৎসক মোস্তফা কামাল ও আল মামুন। এ ঘটনা তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা