kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ মাঘ ১৪২৭। ২৬ জানুয়ারি ২০২১। ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

‘বাংলাদেশে করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ নভেম্বর, ২০২০ ২০:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘বাংলাদেশে করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে’

ফাইল ছবি।

বাংলাদেশে করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী ও সাংসদ নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এ বছর ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে বিভিন্ন দাতাসংস্থা পূর্বাভাস করছে।

আজ রবিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘কন্সট্রেইন্টস অ্যান্ড প্রসপেক্টস অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। ডিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শামস মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. মো. মাসুদুর রহমান এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

শিল্পমন্ত্রী বলেন, অতিক্ষুদ্র, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, বৃহত্তর শিল্পের ফরোয়ার্ড ও ব্যকওয়ার্ড লিঙ্কেজকে শক্তিশালী করা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ ও শহরে বসবাসকরীদের মাঝে বৈষম্য হ্রাস করার লক্ষ্যে আগামী শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হবে। অগ্রাধিকারমূলক খাতসমূহে নীতি সহায়তা, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আয়ত্বকরণের প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন ও করোনা বা দুর্যোগ মোকাবেলায় টেকসই দিক নির্দেশনা দেবার বিষয়টি নতুন জাতীয় শিল্পনীতিতে গুরুত্ব পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

নতুন শিল্পনীতি ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং ইজ অব ডুয়িং বিজনেস সূচকসহ বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরো উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে এবং এর ফলে নতুন দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আরো অধিক পরিমাণে আকৃষ্ট হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিল্পমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি ও করোনা পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বেগবান করতে অতিক্ষুদ্র, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি এসময় এসকল খাতের জন্য বরাদ্দকৃত প্রণোদনার অর্থ দ্রুত বিতরণের জন্য ব্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। 

ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, করোনার প্রভাবে অর্থনীতিতে সমস্যার সৃষ্টি হলেও সমন্বিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এটি একটি বিশেষ সুবিধা সৃষ্টি করে দিয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি আগামীতে আরো মজবুত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, আর্থ-সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে রয়েছে, এই ধারাকে আগামীতে অক্ষুন্ন রাখতে সকলকে সাথে নিয়ে একটি সমন্বিত ও সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। করোনাজনিত সৃষ্ট অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে চাঙ্গা রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা