kalerkantho

শুক্রবার । ৮ মাঘ ১৪২৭। ২২ জানুয়ারি ২০২১। ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আরেকজনের সাক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ নভেম্বর, ২০২০ ১৭:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আরেকজনের সাক্ষ্য

ডিআইজি মিজানুর রহমান (ফাইল ফটো)

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) আইনের মামলায় ডিআইজি মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে বরিশাল বাগেরগঞ্জের নকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের উপসহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) মো. রকুনুজ্জামান মুরাদ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আজ রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এর আগে আসামি ডিআইজি মিজান ও তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে সাক্ষীর জবানবন্দি শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন। তবে ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

গত ২০ অক্টোবর একই আদালত ডিআইজি মিজানুর রহমানসহ চার জনের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে আদালত ২৭ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন। এরপর গত ২২ নভেম্বর মামলার বাদী দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বদলির আদেশ দেন আদালত। এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি পলাতক দুই আসামি ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে গত ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার পর আত্মগোপনে থাকা ডিআইজি মিজান গত ১ জুলাই হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলে, তা নাকচ হয় এবং তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গত ২ জুলাই আদালত জামিন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান ৪ জুলাই একই আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা