kalerkantho

বুধবার । ১৩ মাঘ ১৪২৭। ২৭ জানুয়ারি ২০২১। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: আংশিক অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক    

২৬ নভেম্বর, ২০২০ ১৩:৫৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সগিরা মোর্শেদ হত্যা: আংশিক অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় নিহতের ভাসুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে আংশিক অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আংশিক শুনানি মুলতবি রেখে আগামী ২ ডিসেম্বর অধিকতর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

শুনানির জন্য আজ কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামি নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ানের পক্ষে তাঁদের আইনজীবী মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন।

এসময় অন্য আসামি মারুফ রেজার পক্ষে তাঁর আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। পরে আদালত আংশিক শুনানি মুলতবি রেখে আগামী ২ ডিসেম্বর অধিকতর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান এবং ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা।

এর আগে গত ৯ নভেম্বর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য সময় প্রার্থনা করেন। পরে আদালত তাঁদের আবেদন মঞ্জুর করে ২৬ নভেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। গত ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় গুলিতে নিহত হন সগিরা মোর্শেদ। ওই ঘটনায় সগিরার স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী রমনা থানায় মামলা করেন। পরে মিন্টু ওরফে মন্টু ওরফে মরণ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। বিচারও শুরু হয়েছিল।

সাক্ষ্যে ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজার নাম আসায় মামলার অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে মারুফ রেজার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচারকাজ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। দীর্ঘ ৩০ বছর পর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয় এবং গত ১৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে উল্লেখিত চারজনকে আসামি করে এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার অভিযোগত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম।

৯ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য ১৫ মার্চ দিন ধার্য করা হয়। এরপর আর শুনানি হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা