kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

'ধর্মের নামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ নভেম্বর, ২০২০ ১৬:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'ধর্মের নামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা'

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্থাপত্য নিয়ে কোনো পাকিস্তানি প্রেত্মাতা ষড়যন্ত্র করলে সারা দেশে কৃষক লীগের নেতৃত্বে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ।

আজ মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ‘ধান-চাল ক্রয় কমিটিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধি সম্পৃক্ত’ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে র‌্যালি পূর্বক সমাবেশ তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। র‌্যালিটি শহিদ মিনার থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে শেষ হয়। 

তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের পাকিস্তানি, যারা বঙ্গবন্ধুর স্থাপত্য নিয়ে কথা বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাদের বাংলার মাটিতে স্থান নেই। বঙ্গবন্ধুর স্থাপত্য নিয়ে কোনো পাকিস্তানি প্রেতাত্মা ষড়যন্ত্র করে সারা দেশের কৃষক সমাজ কৃষক লীগের নেতৃত্বে তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।

কৃষক লীগের সভাপতি আরো বলেন, একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। দেশের স্বাধীনতা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম নেতৃত্বকারী দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সেই ৭১ এর পরাজিত শত্রুদের প্রেতাত্মা ও তাদের কুসন্তানরা বাংলার বুকে বেঁচে আছে।

কৃষিবিদ সমীর চন্দ বলেন, বাংলাদেশের বিজয় দিবস আসলে তাদের মাথা গরম হয়ে যায়। বাংলাদেশর স্বাধীনতা দিবস আসলে তারা উন্মাদ হয়ে যায়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার রূপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম শুনলে তাদের ৭১ এ পরাজয়ের গ্লানি মনে পড়ে। সারা বাংলার মানুষের অনুভূতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অনূভুতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে আবার নতুন করে ষড়যন্ত্রে নেমেছে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। মানুষের হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলতে ৭৫ এর পর থেকে বারবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা আজকে ধর্মের নামে জাতির পিতার স্থাপত্য নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা আসলে ধর্ম ব্যবসায়ীও না, তারা পাকিস্তানি।

সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি বলেন, ৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিকে এগিয়ে নিতে কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা ৯৬ সালে প্রথম ক্ষমতায় এসে ৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে কৃষকদের কল্যাণে কাজ করেছেন। ধান-চাল ক্রয় কমিটিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধি সম্পৃক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। এ সময় সংগঠনের নেতারা খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতিও ও সাধারণ সম্পাদক।

র‌্যালিপূর্বক সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষক লীগের সহ-সভাপতি শরীফ আশরাফ আলী, মোহাম্মদ মাহবুব উল আলম, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, আশা লতা বৈদ্য, এস এম আকবর আলী চৌধুরী, হোসনে আরা, আব্দুল ওয়াদুদ, আব্দুল লতিফ তারিন, আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল চৌধুরী, কৃষিবিদ ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বি এম জয়নাল আবেদীন, এম এ মালেক, মো. আবুল হোসেন, কৃষিবিদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট, এডভোকেট মো. রেজাউল করিম ও মো. মকসুদুর ইসলাম, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ বিশ্বনাথ সরকার বিটু, অ্যাড. শামীমা শাহরিয়া, একেএম আজম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ ডক্টর হাবিবুর রহমান মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। র‌্যালি শেষে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা