• ই-পেপার

কোস্ট ট্রাস্টের গবেষণা

মজুরিবৈষম্যের শিকার উপকূলীয় এলাকার নারী মৎস্য শ্রমিকরা

বিমানমন্ত্রী

বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র। আতিথেয়তা, পর্যটনসেবা, বিমান পরিবহন, ট্রাভেল টেকনোলজি ও সৃজনশীল শিল্পে নারীরা ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এসব খাতে নারীদের জন্য আরো সুযোগ তৈরি করা গেলে দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরো ত্বরান্বিত হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই) আয়োজিত ‘জাপান-বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আয়োজনে সহযোগিতা করে জেট্রো ঢাকা ও জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (জেসিআইএডি)।

মন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন শুধু সমতা প্রতিষ্ঠার বিষয় নয়; এটি উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি। নারীরা এগিয়ে গেলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবাই উপকৃত হয়। আর বাংলাদেশ ও জাপান একসঙ্গে কাজ করলে উভয় দেশের জন্য নতুন নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপান কেবল উন্নয়ন সহযোগী নয়, বরং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের বন্ধু। অবকাঠামো, শিল্পায়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে জাপানের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ সময় জাপান সরকার, জাপান দূতাবাস, জাইকা, জেট্রো ও জেবিসিসিআইর সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা বিকাশে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় নারীর ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই উদ্যোগকে আরো এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ডিগ্রি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীদের উচ্চশিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে জেবিসিসিআইর সভাপতি তারেক রফি ভূঁইয়া বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির অন্যতম কৌশল হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তিনি নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায় এবং কর্মসংস্থান থেকে নির্বাহী নেতৃত্বে পৌঁছাতে আরো সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এবং সম্মানিত অতিথি ছিলেন জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।

অনুষ্ঠানে জেবিসিসিআইর মহাসচিব মারিয়া হাওলাদার এবং ইউগ্লেনা জিজি লিমিটেডের কো-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শিওরি ওনিশি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। পরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় নারী উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, প্রযুক্তি, করপোরেট ক্রয়-সুযোগ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, দক্ষতা উন্নয়ন, শীর্ষ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা পর্ষদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সম্মেলন থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়ন, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রবৃদ্ধিমুখী অর্থায়ন সম্প্রসারণ, করপোরেট ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা পর্ষদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত ও ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ-জাপান উইমেন এন্টারপ্রেনার্স অ্যাক্সিলারেটর প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া নারী উদ্যোক্তাদের মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ, করপোরেট ক্রয়-সুযোগ এবং জাপানি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করতে একটি স্থায়ী বাংলাদেশ-জাপান উইমেন ইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রস্তাব দেয় জেবিসিসিআই।

সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রবিবার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরো বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে আলোচনা

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ বাড়াতে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি অভিবাসন, প্রবাসী কল্যাণ, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্লু-ইকোনমি ও সামুদ্রিক সংযোগ জোরদারের বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদামের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

বৈঠকে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে অভিবাসন ও প্রবাসী কল্যাণ, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্লু-ইকোনমি, সামুদ্রিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও যোগাযোগ সহজ করতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা করেন তারা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বৈঠকে সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরো গভীর করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠকে মালদ্বীপের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (স্টেট মিনিস্টার) ড. মোহাম্মদ ফাহমি হাসান এবং মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন ড. আখতার হোসেন খান

অনলাইন ডেস্ক
অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন ড. আখতার হোসেন খান

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বর্তমান উপাচার্য ড. মো. আখতার হোসেন খান। 

রবিবার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাঈমা খন্দকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭-এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ড. মো. আখতার হোসেন খানকে আগামী ৪ বছরের জন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিরের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭ অনুযায়ী তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। চেয়ারম্যান পদে থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭ এর ৭(৪) ধারা অনুযায়ী পদমর্যাদা এবং প্রচলিত বিধি মোতাবেক বেতন-ভাতাদি ও পদ-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা পাবেন। চেয়ারম্যান পদে তাঁর মেয়াদ হবে ৪ বছর। তবে সরকার প্রয়োজনে যে কোন সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবে।

অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন।

মজুরিবৈষম্যের শিকার উপকূলীয় এলাকার নারী মৎস্য শ্রমিকরা | কালের কণ্ঠ