kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

আইন পেশায় বিশ্বজয় কিন্তু রাজনীতির মাঠে ব্যর্থই বলা যায়

‘কামাল কিয়া’ হতে পারেননি ড. কামাল

এনাম আবেদীন    

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০৫:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



‘কামাল কিয়া’ হতে পারেননি ড. কামাল

ব্যক্তিগত সততা ও ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা হিসেবে আজও দেশে-বিদেশে সম্মানিত ড. কামাল হোসেন। ৮৩ বছর বয়স চলছে প্রখ্যাত এই আইনজীবী ও রাজনীতিবিদের। দেশের মানুষ এই সময়ে প্রশংসা ও কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁর অর্জন ও অবদানের দিকে যেমন ফিরে তাকায়, আবার একটি অংশ সমালোচনায়ও পিছপা হয় না। বাংলাদেশে তাঁর যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি বলেও মনে করেন কেউ কেউ।

ড. কামাল গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে উদারপন্থী বলে পরিচিত রাজনৈতিক দল গণফোরামের সভাপতি। কিন্তু সম্প্রতি দলটি ভেঙে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে ২৭ বছর ধরে তাঁর সঙ্গে পথচলা অনেকের কাছেই তিনি এখন আলোচিত-সমালোচিত। সব কিছু হিসাবে নিয়ে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা মনে করেন, রাজনীতি করতে না এলেই বরং ভালো করতেন তিনি।

এসব নিয়ে কালের কণ্ঠ মুখোমুখি হলে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমি সারা জীবন আইনের শাসন, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। বঙ্গবন্ধুর কথায় রাজনীতিতে এসেছি মানুষের সেবা করার জন্য; তবে কতটুকু সফল হয়েছি, তা ইতিহাস এবং এ দেশের মানুষ বিচার করবে।’

পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি ড. কামালের ঘনিষ্ঠজনরাও মনে করেন, তাঁর দুর্ভাগ্য হলো এই যে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে না চলতে পারায় নব্বইয়ের দশকের পর আওয়ামী লীগ এবং বর্তমানে বিএনপির সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক সুখকর নয়। সর্বশেষ নিজ দল গণফোরামের একটি অংশের সঙ্গেও তাঁর দূরত্ব চলছে। এ জন্য আড়ালে কেউ কেউ তাঁর সমালোচনা করছেন। বলছেন, গণতন্ত্রের প্রবক্তা ড. কামালের নিজ দলেই গণতন্ত্রের চর্চা নেই। অথচ গণতন্ত্রের চর্চা নেই অভিযোগ করে তিনিই আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংবিধানের তিনিই অন্যতম প্রণেতা।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে তিনিই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পঁচাত্তরের মর্মান্তিক ঘটনার পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও অগ্রণী ভূমিকা ছিল তাঁর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মতে, ‘ড. কামাল একজন সুশিক্ষিত ভদ্রলোক। কিন্তু কিছু লোক দ্বারা তিনি প্রতারিত হয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘সুস্থ রাজনীতি করার সদিচ্ছা হয়তো ড. কামালের ছিল। কিন্তু অন্যের দ্বারা প্রতারিত হওয়ার কারণে সফল হতে পারেননি।’

ড. কামালের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মূল্যায়ন হলো, ‘আইনজীবী হিসেবে ড. কামাল হোসেন দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন সম্মানিত ব্যক্তি হলেও রাজনীতিক হিসেবে সফলতা পাননি। এর কারণ হলো তিনি দেশের মানুষের নার্ভ বোঝেন না।’ তিনি বলেন, ‘আমার সিনিয়র বন্ধু ও সুহৃদ ড. কামাল একজন ডিসেন্ট ভদ্রলোক। ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁর বৈশিষ্ট্য হলো তিনি কথা শোনাতে পছন্দ করেন, কথা শুনতে চান না।’

গণফোরামের বর্তমান অবস্থার কথা উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘হয় তাঁর নিজ দলের বিরোধ মিটিয়ে ফেলা উচিত। নয়তো সম্মানের সঙ্গে রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়া উচিত। অপমানজনক পরিস্থিতিতে পড়া তাঁর উচিত নয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মনে করেন, ‘ড. কামাল হোসেন ইনটেলেকচ্যুয়াল নেতা হতে পারেন। তবে ছোট ছোট দলের সবাইকে ম্যানেজ করে নেতা হওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।’ তিনি যোগ করেন, ‘তবে দেশ ও জাতি গঠনে তাঁর ভূমিকা কিছুতেই অস্বীকার করা যাবে না।’ 

২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠন এবং তারও পরে ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনকালেও প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে আলোচিত-সমালোচিত হন ড. কামাল। ওই সময় মাহমুদুর রহমান মান্নাকে যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক করা হলে তা তিনি মেনে নিতে পারেননি। আবার ২০১২ সাল থেকে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি এবং জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে বহুবার বৈঠক করেও শেষ পর্যন্ত তিনি যুক্তফ্রন্টে যোগদান করেননি। অন্যদিকে তত্কালীন যুক্তফ্রন্টের মূল নেতা অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারাকে বাদ দিয়ে বিএনপি সমর্থিত জোট ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ গঠন করায় সরকার পক্ষের রোষানলে পড়েন তিনি। যদিও বি. চৌধুরীকে জোটে না নেওয়ার নেপথ্যে ছিল বিএনপি। কারণ দলটির নেতাদের কাছে খবর ছিল যে ওই দলের সঙ্গে সরকারপক্ষের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর ২০ দলের শরিকদের গুরুত্ব কমে যাওয়ায় ওই জোটের শরিকরাও অসন্তুষ্ট হয় ড. কামালের ওপর।

ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর ড. কামাল হোসেনকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘খুচরা আধলি নিয়ে ঐক্য করেছেন ড. কামাল।’  ‘সব দুর্নীতিবাজ এক হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ড. কামালের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রথম বিরোধ তৈরি হয় ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর। ওই নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ‘সূক্ষ্ম কারচুপি’র অভিযোগ আনেন। কিন্তু দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. কামাল এক সাক্ষাত্কারে মন্তব্য করে বসেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।’ ড. কামাল হোসেনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তাঁর আত্মজীবনী ‘বিপুলা পৃথিবী’ বইতে লিখেছেন, ‘এর জের ধরে ড. কামাল হোসেনের গাড়ি আক্রান্ত হয় এবং তিনি কটুবাক্যের শিকার হন।’

এভাবেই প্রথমে শেখ হাসিনার সঙ্গে দূরত্ব এবং ১৯৯২ সালের মার্চে আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভায় তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। ওই বছরের ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী কাউন্সিল শেষে প্রেসিডিয়াম থেকে বাদ দেওয়া হয় ড. কামালকে। এরপর মিরপুরের একটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ার আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কামাল আহমেদ মজুমদারকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয় আওয়ামী লীগ। পরে ধাপে ধাপে সম্পর্কের টানাপড়েনের মধ্যে ১৯৯৩ সালের ২৯ আগস্ট নতুন রাজনৈতিক দল গণফোরাম গঠন করেন ড. কামাল। তার আগে অবশ্য শেখ হাসিনার কাছে তিনি কয়েক পৃষ্ঠার চিঠি লিখে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগের কথা জানান। ওই চিঠিতে দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চার পাশাপাশি নির্বাচন মেনে নেওয়ার পরামর্শ ছিল বলে কালের কণ্ঠকে জানান ড. কামালের ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী; যিনি গণফোরাম প্রতিষ্ঠার অনেক আগে থেকেই ড. কামালের সঙ্গে ছিলেন।

সুব্রত চৌধুরী সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আইনজীবী হিসেবে ড. কামাল হোসেন দেশে-বিদেশে সমানভাবে সফল হলেও রাজনীতিতে চরমভাবে ব্যর্থ। তা ছাড়া নিজ দলেই তিনি গণতন্ত্রের চর্চা করেন না।’

সুব্রত চৌধুরী ছাড়াও মোস্তফা মহসিন মন্টু, পঙ্কজ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন ন্যাপ, শাহজাহান সিরাজের নেতৃত্বে জাসদের একটি অংশ, সিপিবি নেতা সাইফুদ্দিন আহমেদ মানিক, ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম, আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ বিশিষ্ট অনেকে তখন গণফোরামে যোগ দেন। এঁদের মধ্যে কয়েকজন মারা গেছেন। বাকিদের মধ্যেও কেউ আর এখন তাঁর পাশে নেই। অনেকের মতে, নতুন কাউকে পাশে পেলে আগের ঘনিষ্ঠদের ধরে রাখতে পারেন না ড. কামাল। সাম্প্রতিককালেও গণফোরামের কাউন্সিলের পর হঠাৎ করে তিনি রেজা কিবরিয়াকে দলের মহাসচিব পদে নিয়োগ দেন। আর ওই ঘটনার সূত্র ধরে বিরোধে পুরনো নেতারা তাঁর কাছ থেকে দূরে চলে যান। বহিষ্কার ও পাল্টা বহিষ্কারের মধ্য দিয়ে দলটিতে ভাঙনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে আলাপকালে ড. কামাল জানিয়েছেন, এখনো তিনি সবাইকে নিয়ে পথ চলতে চান।  

১৯৫৯ সালে ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার বাসা ‘মোসফিরে’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ড. কামাল হোসেনের পরিচয় ঘটে। এর কিছুদিন পরই তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। মেধাবী আইনজীবী ড. কামালকে অল্প দিনেই আপন করে নেন বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭১ সালের ৮ জানুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁকেও মুক্তি দেওয়া হয়। পাকিস্তানিরা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ড. কামালকেও কারাগারে নিয়েছিল। শেখ মুজিবের সঙ্গে তিনিও ১০ জানুয়ারি লন্ডন হয়ে ঢাকা ফেরেন। ১৯৭২ সালের পরে আইনমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সঙ্গে তিনি থাকতে পারেননি।

অন্যদিকে স্বাধীনতা, সংবিধান, বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতার প্রশ্নে অবিচল আস্থা সত্ত্বেও গত নির্বাচনের আগে বিএনপির সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর  প্রশ্নে তাঁর অবস্থান বদল না করায়, জিয়াউর রহমানকে ‘আপহোল্ড’ না করা এবং শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণে বিএনপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়।

মাত্র ৩৫ বছর বয়সে একটি নতুন দেশের আইনমন্ত্রী হন ড. কামাল। আইন চর্চায় তাঁর সাফল্য কিংবদন্তির মতো। তিনি শুধু এ দেশেই গুরুত্বপূর্ণ অনেক মামলা পরিচালনা করে সফল হননি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইন প্রণয়নে সহায়তা দিয়ে গেছেন। তিনি জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। র‌্যাপোর্টিয়ার হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আফগানিস্তানের গোলযোগপূর্ণ এলাকা, দক্ষিণ গাজা, দক্ষিণ আফ্রিকায় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নামে জাতিসংঘে একটি বিশেষ চেয়ার (ড. কামাল হোসেন চেয়ার) রয়েছে।

জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিখ্যাত একজন আন্তর্জাতিক সালিস নিষ্পত্তিকারী হিসেবেও তাঁর সুনাম রয়েছে। মালয়েশিয়া বনাম সিঙ্গাপুরের সমুদ্র বিরোধ মামলায় সফল সমঝোতায় অন্যতম সালিসকারী ছিলেন তিনি। জার্মান তেল কম্পানির সঙ্গে বিরোধে তিনি জয় এনে দেন কাতারকে। গায়ানা বনাম সুরিনাম প্রজাতন্ত্রের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিচারের তিনি অন্যতম বিচারক ছিলেন।

দেশের পক্ষে তিনি সিমিটারের বিরুদ্ধে মামলায় সাফল্য আনেন। চট্টগ্রাম বন্দরকে ১৯৮ বছরের ইজারা দেওয়ার চেষ্টা তিনি আদালতের মাধ্যমে ঠেকান। ১৯৭৩ সালে শেলের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে গ্যাসের বিশাল মজুদ কেনার গর্বের ভাগিদার তিনি। ড. কামাল ২০১০ সালে তেল কম্পানি শেভরনের সঙ্গে বাংলাদেশের গ্যাসসংক্রান্ত একটি মামলায় দেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক আদালত থেকে বিজয় ছিনিয়ে আনেন।

রাজনৈতিকভাবে বিপরীত মেরুতে অবস্থান করলেও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মনে করেন, ‘আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক সালিস নিষ্পত্তিকারী হিসেবে ড. কামাল হোসেনের অবস্থান অনেক ওপরে।’ তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থের অনুকূলে প্রয়োজনে যেমন ড. কামাল দাঁড়িয়েছেন, তেমনি তাঁর সালিস নিষ্পত্তিকারীর ভূমিকায় বাংলাদেশের মাথা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উঁচু হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা