kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

ধর্ষণ-নির্যাতনের ঘটনায় সংসদীয় কমিটির উদ্বেগ

জনগণকে নিয়ে পুলিশকে মাঠে নামার পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২০ ২০:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণ-নির্যাতনের ঘটনায় সংসদীয় কমিটির উদ্বেগ

সারাদেশে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির বৈঠকে এ ধরনের অপরাধ দমনে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে জনগণকে সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনকে মাঠে নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষক-সাংবাদিক, ইমাম-পুরোহিতসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু। বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, মো. আফছারুল আমীন, মো. হাবিবর রহমান, সামছুল আলম দুদু, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, পীর ফজলুর রহমান, নূর মোহাম্মদ ও সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকু সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান কার্যকর করা হলেও এই অপরাধ কমাতে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। কারণ ধর্ষণের মতো ঘটনার পেছনে মাদক একটি বড় বিষয়। মাদকাসক্ত যুবকরাই এ ধরনের ঘটনায় বেশী জড়িয়ে পড়ছে। তাই ধর্ষণ ও নির্যাতনের পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন কাজ করছে। তাদেরকে কমিটির পক্ষ থেকে জনসচেনতা সৃষ্টির জন্য সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে প্রচারণা জোরদার করতে বলা হয়েছে।

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে ধর্ষণ-নির্যাতনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তবে মাদকাসক্ত চিহ্নিত করতে পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট শুরু করায় পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানানো হয়। আর উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির আগে ও চূড়ান্ত পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার আগে ডোপ টেস্ট ও বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া চলমান মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখাসহ দেশে কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় কথিত কিশোর গ্যাং-এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাদের সংশোধনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এদিকে বৈঠকে আগামী ১০ নভেম্বর থেকে দেশের সকল জেলায় ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছে পাসপোর্ট অধিদপ্তর। বর্তামনে ৪৭টি জেলায় এ সেবার সম্প্রসারণ কাজ চলমান রয়েছে। আর করোনা ভাইরাসের মধ্যেও ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা