kalerkantho

শনিবার। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৫ ডিসেম্বর ২০২০। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২

জামিন পেলেন ডিআইজি প্রিজনস বজলুর রশীদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২০ ১৬:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জামিন পেলেন ডিআইজি প্রিজনস বজলুর রশীদ

তিন কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় কারা অধিদপ্তরের সাময়িক বরখাস্ত ডিআইজি প্রিজন্স বজলুর রশীদকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন শুনানি শেষে জামিনের আদেশ দেন।

এর আগে বজলুর রশীদের পক্ষে জামিন শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ ইফতেখার, এসকে আবু সাঈদ প্রমুখ আইনজীবী। দুদকের পক্ষে মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধীতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত জামিনের আদেশ দেন আদালত। আগামী ২২ নভেম্বর মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য  রয়েছে।

গত ২২ অক্টোবর মামলাটিতে বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। একই দিন বজলুর রশীদের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন শুনানির জন্য ২৯ অক্টোবর তারিখ ধার্য করেন।

গত ২৬ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দীন ১৬ জনকে সাক্ষী করে আদালতে বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত দুদকের দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দেন। 

পরে গত ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য প্রস্তুত নন জানিয়ে সময় আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২২ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, বজলুর রশীদ রূপায়ন হাউজিং স্টেট থেকে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী রোডের ৫৫/১ (পুরাতন) ৫৬/৫৭ (নতুন) নির্মাণাধীন স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের ২৯৮১ বর্গফুট আয়তনের অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন। ইতোমধ্যে তিনি অ্যাপার্টমেন্টের মূল্যবাবদ তিন কোটি আট লাখ টাকা পরিশোধ করেন। এ অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়বাবদ বজলুর রশীদ যে টাকা পরিশোধ করেছেন, এর স্বপক্ষে কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

এমনকি তিনি অ্যাপার্টমেন্টের ক্রয়-সংক্রান্ত কোনো তথ্য তার আয়কর নথিতে দেখাননি। পরিশোধিত তিন কোটি আট লাখ টাকা জ্ঞাতআয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুদক আইন ২৭ (১) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা