kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

ঘুষ গ্রহণ ও অর্থপাচার মামলা

ডিআইজি প্রিজনস পার্থের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২০ ১২:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডিআইজি প্রিজনস পার্থের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল

ছবি: ডিআইজি (বরখাস্ত) পার্থ গোপাল বণিক।

ঘুষ গ্রহণ ও অর্থপাচার আইনের মামলায় বরখাস্তকৃত সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ নভেম্বর নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে আসামি পার্থকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাঁর আইনজীবী মাসুদ খান খোকন আদালতে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেন। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ২৯ অক্টোবর অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ বদলির আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৯ সালের ২৮ জুলাই কারাগারের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পার্থ গোপাল বণিককে জিজ্ঞাসাবাদ করার একপর্যায়ে অভিযানে যায় দুদক। বিকেলে ধানমণ্ডির ভূতের গলিতে পার্থ গোপালের ফ্ল্যাট থেকে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করে দুদক। এর পরেই আটক করা হয় তাঁকে। পরদিন ২৯ জুলাই তাঁর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ধারায় দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা দায়ের করে দুদক।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বরখাস্তকৃত কারা উপমহাপরিদর্শক পার্থ গোপাল বণিক সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে ৮০ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন। এসব টাকা গোপন করে তার নামীয় কোনো ব্যাংক হিসাবে জমা না রেখে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিজ বাসস্থানে লুকিয়ে রেখে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা