kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

প্রাথমিকে নিয়োগ পাবেন ৩২,৫৭৭ শিক্ষক

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০২০ ১১:২৪ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



প্রাথমিকে নিয়োগ পাবেন ৩২,৫৭৭ শিক্ষক

ছবি : ইউনিসেফ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সারা দেশে প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ৩২ হাজার ৫৭৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানাচ্ছেন হাবিব তারেক

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় প্রাক-প্রাথমিকে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে রাজস্ব খাতে ছয় হাজার ৯৪৭ জন অর্থাৎ মোট ৩২ হাজার ৫৭৭ জন নিয়োগ পাবেন।

তিন পার্বত্য জেলা (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) ছাড়া বাকি সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হবে অনলাইনে (http://dpe.teletalk.com.bd) ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে। আবেদন ফি ১১০ টাকা (চার্জসহ) টেলিটক সংযোগ থেকে এসএমএসের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

নতুন নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী এবারই প্রথম নারী প্রার্থীরা স্নাতক বা সমমানের পাস ছাড়া আবেদন করতে পারবেন না। পুরুষ ও নারী উভয় প্রার্থীর বেলায় দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

যেসব প্রার্থীর বয়স ২০ অক্টোবর ২০২০ তারিখে সর্বনিম্ন ২১ এবং ২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে সর্বোচ্চ ৩০ বছর, তাঁরাই এবারের প্রাথমিকের শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর (২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে)।

নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে উপজেলাভিত্তিক। এ ক্ষেত্রে বিবাহিত মহিলা প্রার্থীরা তাঁদের স্বামী কিংবা পিতার স্থায়ী ঠিকানার মধ্যে যে উপজেলা উল্লেখ করে আবেদন করবেন তাঁর প্রার্থিতা সেই উপজেলা/থানার কোটায় বিবেচিত হবে। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে এবং জাতীয়করণ করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিডিইপি-৪-এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্ব খাতে সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে ‘জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫’-এর ১৩তম গ্রেডে (১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা) অস্থায়ীভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।

সাধারণত নিয়োগের দুই বছর পর স্থায়ী করা হয়। ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯’ অনুযায়ী এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগামী দিনে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম এক বছরের বদলে দুই বছর মেয়াদি করা হবে। তখন প্রাক-প্রাথমিকে আরো একজন করে সহকারী শিক্ষক ও একজন করে আয়া নিয়োগ করা হবে। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষক করা হবে।

বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ফলে প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে ‘সহকারী প্রধান শিক্ষক’ হিসাব করলে ৬৫ হাজার ৬২০ জন সহকারী শিক্ষক এই পদে পদোন্নতি পাবেন। একই সঙ্গে এসব বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ৬৫ হাজার ৬২০ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হবে। ফলে বড়সড় নিয়োগের মাধ্যমে এসব শূন্য পদ পূরণের অবস্থা তৈরি হবে। অর্থাৎ সামনে আরো বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে!

অনলাইনে আবেদনের সময় বা ফি পরিশোধ করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে টেলিটক সংযোগ থেকে ১২১ নম্বরে কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে জানানো যাবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৮ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (http://www.dpe.gov.bd)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা