kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আঞ্চলিক দেশগুলোর ভূমিকা

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামস   

২০ অক্টোবর, ২০২০ ০৩:৪৬ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আঞ্চলিক দেশগুলোর ভূমিকা

ফাইল ছবি

রোহিঙ্গা সমস্যা তিন বছর পূর্ণ হয়ে চতুর্থ বছরে পদার্পণ করেছে। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউমিনিটি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। ২৫ আগস্ট ২০১৭ সালের পর থেকে অদ্যাবধি রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তারা মিয়ানমারে নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় আছে। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে বারবার নির্মমতার শিকার হয়েছে। মিয়ানমারের সংবিধানে তাদের সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে গণ্য না হওয়ায় তারা শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা এবং অন্যান্য সাধারণ নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিসেবে নিপীড়নের শিকার হচ্ছিল। রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবেলায় গত তিন বছর ধরে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর কার্যক্রম এবং এর ধারাবাহিকতায় অর্জন সম্পর্কে এই পর্বে কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সহযোগিতার কথা বলেছেন। তিনি উভয় দেশ সফর শেষে তিন ধাপে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে একটা প্রস্তাবের রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে তাঁর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। জুলাই ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং সফরের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি খোয়াছিয়াং বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সে সময় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের ভূমিকার কথা প্রথমবারের মতো এসেছে, যা একটা বড় কূটনৈতিক সাফল্য। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে চীনের ভূমিকা জোরালো হয়েছে। কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার (সিপিসি) অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী সং তাও বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে তাঁদের ইতিবাচক ভূমিকার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। চীন মিয়ানমারের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টা সৌহার্দপূর্ণভাবে শুরু করার বিষয়ে তাদের ইচ্ছার কথা বলে।

চীন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রাখাইন প্রত্যাবাসনের সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেছে চীন। চীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক উ জিং হাউ বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের জানিয়েছে যে চীন মিয়ানমারকে রাখাইনে প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে বলেছে। বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার উভয় দেশে চীনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম রয়েছে। চীন এই সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকে চাপ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মিয়ানমার সফরের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের এক ভাষ্যে রাখাইন প্রদেশের সমস্যা উল্লেখ করে নিয়ন্ত্রিতভাবে এবং দক্ষতার সঙ্গে এই সমস্যা সমাধানের প্রয়োজন বলে জানায়। ভারতীয় বিমানবাহিনী বাংলাদেশে আগত রোহিঙ্গাদের জন্য ‘অপারেশন ইনসানিয়াতের’ মাধ্যমে ত্রাণ সরবরাহ করে। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ রোহিঙ্গা সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধানের পক্ষে তাঁদের সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রাখাইন প্রদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই অঞ্চলের স্বার্থে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং টেকসই পদ্ধতিতে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারত মিয়ানমারের ওপর চাপ দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক দায়িত্বের বোঝা লাঘবের জন্য ভারত সারা বিশ্বের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানায়। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর জানান, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দ্রুত প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ভারত। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতিবেশী হিসেবে নয়াদিল্লি মনে করে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের মধ্যে সবার মঙ্গল নিহিত। আগস্ট ২০২০ সালে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার ঢাকা সফরে ভারত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আলোচনার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ভারত নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভারত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে ভারত বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট উইদোদো ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের বাংলাদেশের কক্সবাজারের ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের ওপর চলা সহিংসতায় নিন্দা প্রকাশ করেন। ইন্দোনেশিয়ার বিমানবাহিনীর চারটা পরিবহন বিমান রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে আসে। ২০১৭ সালের ঘটনার পরপরই ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়ে আলোচনার জন্য মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করেন। মালদ্বীপ রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান সহিংসতায় তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছে এবং নৃশংসতা বন্ধের দাবি জানিয়েছে। মালদ্বীপ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক মহলের দ্রুত এবং দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ সমস্যা সম্ভব বলে মনে করে। মালদ্বীপ সরকার জাতিসংঘ মহাসচিব এবং ইউএন মানবাধিকার কাউন্সিলকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর চলমান সহিংসতার বিষয়ে তাদের উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব কেদার নাথ শর্মার বক্তব্য থেকে জানা যায়, নেপাল মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের নেপালে থাকতে দিয়েছে, তারা আইন ভঙ্গ না করলে নেপালে থাকতে পারে।

লাওস ও ইন্দোনেশিয়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে একত্রে কাজ করার জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছে। কম্বোডিয়া আসিয়ানের কাঠামোর মধ্যে থেকে রোহিঙ্গাদের রাখাইন প্রদেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশকে সমর্থনের কথা দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেছে। মালয়েশিয়া বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় সম্মানজনকভাবে নিরাপদে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে দৃঢ়ভাবে তাদের সমর্থন চালিয়ে যাবে। মালয়েশিয়া রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সাহায্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আসিয়ান দেশগুলো রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়। বাংলাদেশ আসিয়ানের কাছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য দৃঢ় সমর্থন আশা করে।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশ ও সংগঠনগুলোকেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। আঞ্চলিক দেশগুলো রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং অনেক দেশ অর্থ ও মানবিক সাহায্য নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বাস্তবে এই সমস্যার অগ্রগতি অর্থাৎ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়নি এবং এই সমস্যার মূলে গিয়ে সমাধানের পথ এখনো কোনো আলোর মুখ দেখেনি। চীন, জাপান, ভারত, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে মিয়ানমারের বাণিজ্য সম্পর্ক ও বিনিয়োগ রয়েছে। এই দেশগুলো মিয়ানমারের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এই দেশগুলোর ভূমিকা আরো জোরালো হলে এর সমাধান দ্রুত ও টেকসই হবে। বাংলাদেশকে এই সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশগুলো, যেমন—চীন, ভারত, জাপান, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও আসিয়ানকে একত্রে নিয়ে এ বিষয়ে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদি এই সমস্যা সমাধানের জন্য এর মূল কারণ খুঁজে বের করতে হবে। আঞ্চলিক দেশ ও জোটগুলো দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিয়ে স্থানীয় রাখাইন ও বৌদ্ধ সংঘগুলোর মাধ্যমে রাখাইন প্রদেশ তথা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা নিতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি চলমান সহিংসতা বন্ধে ভূমিকা রাখতে পারে। আসিয়ান জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মিয়ানমারের প্রতিবেশী চীন ও ভারত মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘ মেয়াদে চলমান সমস্যাগুলো সমাধান করে রোহিঙ্গা সমস্যার গভীরে গিয়ে স্থায়ী সমাধানের পথ সুগম করতে পারে। মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য রাখাইন প্রদেশে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি এবং রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে নিরাপদে নিজ বাসভূমিতে ফেরত যাওয়ার ব্যবস্থা করা। প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হলে রাখাইন প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়ন প্রয়োজন এবং সেখানে চলমান সহিংসতা বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। রাখাইন প্রদেশের জনগণের মধ্যে রোহিঙ্গাদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে ও তাদের মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য রোহিঙ্গাদের স্বতন্ত্র জাতিসত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তবে এ ব্যাপারে মিয়ানমার এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এই কার্যক্রম গ্রহণে সংবিধানে সংশোধনী আনা জরুরি, যা সময়সাপেক্ষ। এই কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, অর্থনৈতিক সহায়তা প্রয়োজন এবং পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, আঞ্চলিক রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর ঐকান্তিক সহযোগিতা ও মিয়ানমারের সদিচ্ছাই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশকে মিয়ানমারের সঙ্গে জোরালো কূটনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। দেশে-বিদেশে সব ধরনের মিডিয়ার মাধ্যমে এই সমস্যার অগ্রগতি এবং গৃহীত পদক্ষেপগুলো জানিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আরো নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশের একার পক্ষে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান এবং মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা কখনোই সম্ভব না। এই সমস্যা সমাধানে দাতা সংস্থা, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো ও সংস্থাকে এগিয়ে আসতে হবে। বাস্তুচ্যুত এই বিশাল জনগোষ্ঠী নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত এই ইস্যু বিশ্বদরবারে জানান দিয়ে যেতে হবে। কভিড মহামারির দুঃসময়েও এই বাস্তবতাকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সমাধানের উদ্যোগ চালিয়ে যেতে হবে।

লেখক : ডেপুটি কমান্ড্যান্ট
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা, গাজীপুর

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা