• ই-পেপার

বিডিসিএসওপ্রসেস-এর বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন

আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি ঔপনিবেশিক আধিপত্য পরিহারের দাবি

আবাসন খাত

নতুন করের বোঝা, ৫০ লক্ষ লোকের বেকার হওয়ার আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
নতুন করের বোঝা, ৫০ লক্ষ লোকের বেকার হওয়ার আশঙ্কা

রাজধানীর কয়েক এলাকায় আটটি আবাসন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঐশী প্রপার্টিজ। এর মধ্যে ছয়টি রয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতেই। এই ছয় প্রকল্পে নির্মিত হবে ৯৬টি অ্যাপার্টমেন্ট। এ বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হয়েছে। তবে, এখনো একটি অ্যাপার্টমেন্টও বিক্রি করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

ঐশী প্রপার্টিজের চেয়ারম্যান মো. আইয়ূব আলী গণমাধ্যমকে বলেন, সাধারণত প্রতি মাসে দু-তিনটি অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি হওয়ার কথা ছিল। অথচ গত পাঁচ মাসে একটিও হয়নি। আসলে দুই বছর ধরেই আবাসন খাতের ব্যবসা খারাপ। গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর পরিস্থিতির উন্নতি ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও ইরান যুদ্ধের কারণে তা হয়নি। নতুন করে করের বোঝাও চেপেছে। তাতে সামনের দিনে আবাসন ব্যবসায় টিকে থাকা চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন এই ব্যবসায়ী।

আবাসন খাতের অনেক উদ্যোক্তাই এমন শঙ্কায় আছেন। কারণ, আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্মাণসামগ্রীর ওপর করহার বাড়িয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুধু তা–ই নয়, ডেভেলপারদের কাছ থেকে পাওয়া ফ্ল্যাট বা অন্য যেকোনো আর্থিক সুবিধার ওপর জমির মালিকদের ১৫ শতাংশ ক্যাপিটাল গেইনসে ট্যাক্স আরোপ করেছেন তিনি।

কয়েকজন আবাসন ব্যবসায়ী বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে আবাসন খাতে মন্দাভাব চলছে। এ সময়ে প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্যদের বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যবসা ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছিলেন তারা। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তায় সেটি হয়নি। আবার কর আরোপের কারণে ব্যবসায়ে গতি ফেরাও কঠিন হবে। তার কারণ করের প্রভাবে খরচ বাড়বে। ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুটে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। 

দেশের অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসের সংস্কৃতি গড়ে উঠতে শুরু করে নব্বইয়ের দশকে। তাতে ধীরে ধীরে আবাসন ব্যবসা জনপ্রিয় হতে শুরু করে। অন্যদিকে ঢাকায় জমির উচ্চমূল্যের কারণে অনেক আগে থেকেই অ্যাপার্টমেন্টের দাম আকাশছোঁয়া। তাতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের নিচের মানুষের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট কেনাটা বেশ কঠিন। তারপরও এক হাজারের বেশি আবাসন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে দেশজুড়ে। তার বেশির ভাগই রাজধানী ঢাকায়। আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে বছরে ৮ থেকে ১০ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট সরবরাহ করে থাকে।

ভবন নির্মাণে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয় রডে। অর্থমন্ত্রী আগামী অর্থবছরের বাজেটে গর্দা বা মেলটেবল স্ক্র্যাপ থেকে উৎপাদন করা বিলেট এবং বিলেট উৎপাদিত প্রতি মেট্রিক টন রডের ওপর ভ্যাট ২ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪০০ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া বাজেটের আগে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার।

গত সপ্তাহে সংবাদ সম্মেলন করে ইস্পাত খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ) বলেছে, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও নতুন কর-শুল্ক কাঠামোর সম্মিলিত প্রভাবে প্রতি টন রড উৎপাদনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ খরচ মিলিয়ে অতিরিক্ত ১১–১২ হাজার টাকা ব্যয় বাড়তে পারে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে গ্রাহকের ওপর।

জানতে চাইলে ইস্পাত খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান বিএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত বলেন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে রডের টনপ্রতি দাম দুই হাজার টাকা বাড়বে। এখন পর্যন্ত আমরা এই বাড়তি ব্যয়ের আংশিক সমন্বয় করেছি। বাকিটাও করতে হবে। নতুন করকাঠামোর কারণেও দাম বাড়বে। তবে আমরা বাজেট পাস না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছি।

তিনি বলেন, বাজারের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দামের ওপর নির্ভর করবে দাম কতটুকু বাড়বে।

এদিকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, জমির মালিকদের প্রাথমিক সাইনিং মানির পাশাপাশি ডেভেলপারদের কাছ থেকে পাওয়া ফ্ল্যাট বা অন্য যেকোনো আর্থিক সুবিধার ওপরও ১৫ শতাংশ ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স দিতে হবে। এত দিন সাইনিং মানির ওপর জমির মালিকদের শুধু ১৫ শতাংশ কর দিতে হতো।

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের নেতারা বলছেন, জমির মালিকদের ওপর নতুন কর আবাসন খাতে নতুন সংকট তৈরি করবে। ২৪টি ফ্ল্যাটের একটি প্রকল্পে যদি ১২টি ফ্ল্যাট জমির মালিক পান এবং সেই ফ্ল্যাটগুলোর মূল্য ১২ কোটি টাকা হয়, তাহলে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা কর দিতে হবে। এতে ফ্ল্যাটের দাম আকাশচুম্বী হবে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শীর্ষস্থানীয় আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেকের বিক্রি কমেছে ২০ শতাংশ। জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে ফ্ল্যাটের বিক্রি কিছুটা বেড়েছিল। তবে চলতি মাসে বিক্রি আবার কমে গেছে। এমন তথ্য দিয়ে শেলটেকের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) মো. শাহজাহান বলেন, জমির মালিকদের ওপর নতুন করের কারণে আবাসন খাতের গতি কমবে। ফ্ল্যাটের নিবন্ধনও কমে যাবে। তাতে সরকারের রাজস্ব হ্রাস পাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মো. শাহজাহান বলেন, প্রতিবছরই নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ছে। এবার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও নতুন করের কারণে আরেক দফা বাড়বে। আবার জমির মালিকদের ওপরও কর বাড়ছে। ফলে ফ্ল্যাটের দাম বাড়বে।

রাজধানীতে হাসপাতালের ‘অক্সিজেন লাইনে লিকেজ’, শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে হাসপাতালের ‘অক্সিজেন লাইনে লিকেজ’, শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

রাজধানীর শ্যামলীতে একটি বেসরকারি শিশু হাসপাতালে ‘অক্সিজেনের লাইনে লিকেজের’ কারণে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে ‘শ্যামলী বেবি কেয়ার’ নামের হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

শিশুটির বাবা মো. ফারুক বলেন, ‘চিকিৎসায় আমার বাচ্চাটা ভালো হচ্ছিল। অক্সিজেনের লাইনে লিকেজের কারণে আমার বাচ্চাটা মারা গেছে, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা স্বীকার করছে না।’

লিকেজের ঘটনার পরে হাসপাতালটিতে ভর্তি থাকা পাঁচটি শিশুকে ওপরতলার আরেকটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ সময় হাম পরবর্তী জটিলতা আক্রান্ত চার মাস বয়সি ওই শিশুর মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুটি হাম পরবর্তী জটিলতায় আক্রান্ত ছিল। তার অবস্থা বিকাল থেকে খারাপ হচ্ছিল। অক্সিজেন লাইনে লিকেজের সঙ্গে শিশু মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক নেই।

শ্যামলীতে মিরপুর সড়কের পাশে ‘রূপায়ণ শেলফোর্ড’ নামের একটি ২০তলা ভবনের সপ্তম তলার অর্ধেক অংশে শিশুদের এ বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে। এ ভবনে সব মিলিয়ে পাঁচটি হাসপাতাল আছে বলে বিডিনিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

মারা যাওয়া শিশুটির বাবা ফারুক এ নিয়ে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নিতে চান না। সন্তানের মরদেহ নিয়ে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফিরে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স খুঁজছিলেন তিনি।

এদিকে হাসপাতালটির চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাচ্চাটির অবস্থা খারাপ হতে থাকলে আমরা তাকে ভেন্টিলেশনে দিই। এ সময় বাচ্চার বাবাকে ডেকে যে সময় কথা বলছিলাম তখন একটা বিকট শব্দ হয়। এরপর জানতে পারি অক্সিজেন লাইনে লিকেজ হয়েছে। তখনই আমরা বাচ্চাটাকে নিয়ে এইচডিইউতে যাই। সেখানে থেকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। একটু পরে সে মারা যায়।’

তবে শিশু মৃত্যুর সঙ্গে অক্সিজেন লিকেজের ঘটনার বিষয়টিকে কাকতালীয় বলে দাবি করেন এ চিকিৎসক।

মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস‌আই) মো. শরীফ বলেন, ‘রোগীর স্বজনরা বিস্ফোরণের অভিযোগ করলেও আমরা তেমন আলামত পাইনি। রোগীর স্বজনরা যদি লিখিত অভিযোগ দেন, তাহলে আমরা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেব।’

বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে ডব্লিউইএফের প্ল্যানারি সেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে ডব্লিউইএফের প্ল্যানারি সেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

চীনের দালিয়ানে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (WEF) প্ল্যানারি সেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দেশটির দালিয়ান শহরের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ (Innovating at Scale) শীর্ষক এই সম্মেলনের প্ল্যানারি সেশন শুরু হয়। সেশনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।

সেশনে বাংলাদেশ ছাড়াও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক (Kim Min-seok), কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ (Olzhas Bektenov), মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর (Uchral Nyam-Osor), মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ (Amadou Oury Bah) যোগ দেন।

সেশনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সরকার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। সেশনের ফাঁকে বিশ্বনেতারা ফটো সেশনে অংশ নেন।

নবম পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ

অনলাইন ডেস্ক
নবম পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসছে কমিটি। বুধবার (২৪ জুন) পে-স্কেল সংক্রান্ত সচিব কমিটি কারিগরি ও আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এ বৈঠক ডেকেছে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, বুধবার সচিব কমিটির সভা হওয়ার দিন রয়েছে। সভায় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠকে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির সব সদস্যকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগের প্রাথমিক প্রস্তাবনায় তিনটি ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের চিন্তাভাবনা করা হলেও, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জোরালো দাবির মুখে এটি কমিয়ে ২ ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা যায় কিনা, তা নিয়ে আগামীকাল গভীরভাবে আলোচনা করা হবে।

বেতন বৃদ্ধি, গেজেট প্রকাশ, পে-স্কেল বাস্তবায়নের ধাপ নির্ধারণ, ভাতা বৃদ্ধি, বেতন বৈষম্য নিরসন এবং কারিগরি ও আইনি জটিলতা দূরীকরণসহ নানা বিষয়ে এ বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রের তথ্য বলছে, শুধু বেসিকের বিষয়টিই নয়; সচিব কমিটির সভায় পে-কমিশনের সুপারিশের কতটুকু কার্যকর করা হবে অর্থাৎ পে-কমিশন বেতন বৃদ্ধির যে সুপারিশ করেছিল তার কতটুকু বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা কত টাকা বৃদ্ধি করা হবে সেটিও আলোচনা করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত সচিব কমিটির এ বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পাবে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য দূর করার বিষয়টি। একইসঙ্গে আইনি ভেটিংয়ের মাধ্যমে এ-সংক্রান্ত পূর্বের বিধিমালা সংশোধন এবং পে-স্কেলের জটিল হিসাব-নিকাশ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আইবাস++-এর মাধ্যমে সহজ ও দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও আলোচনা হবে।

এ বিষয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে। তবে বেসিকের ৫০ শতাংশ নাকি শতভাগ বৃদ্ধি পাবে সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। জুলাই থেকে পে-স্কেল কার্যকর হলেও টাকা পেতে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। সচিব কমিটির সভায় অনেক কিছুই চূড়ান্ত হবে বলেও আশা করা যাচ্ছে।

এর আগে গত ১৮ জুন অনুষ্ঠিত বৈঠকে জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করা হয়।