kalerkantho

সোমবার । ১০ কার্তিক ১৪২৭। ২৬ অক্টোবর ২০২০। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সিআরআই'র ওয়েবিনারে বক্তারা

দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে সঁপেছেন শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৩:৫১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে সঁপেছেন শেখ হাসিনা

বাবা-মা, পরিবার-পরিজন সবকিছু হারিয়েও নিজের কথা ভাবেননি শেখ হাসিনা। দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ তথা বাংলাদেশকে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর জন্য জীবননাশের হুমকি নিয়েও সংগ্রাম করে চলেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। তিনি নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় আমাদের পৌঁছে দেবেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ানো আওয়ামী লীগ’ শীর্ষক বিশেষ ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। শনিবার রাতে আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) শীর্ষক এই ওয়েবিনারের আয়োজন করে।

এতে অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন আওয়ামী লীগে প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সিনিয়র সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায়।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ১৯৮১ সালে যেদিন শেখ হাসিনা এদেশে আসলেন সেদিন ছিল ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ। আমরা এমন একজন ব্যক্তিকে বরণ করেছি সেদিন-আমাদের সব আছে কিন্তু তার মা নেই বাবা নেই, ভাই নেই। তবুও তিনি এদেশের মানুষের গণতন্ত্র নিশ্চিত করেছেন, একই সঙ্গে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি কথা বলার অধিকার দিয়েছেন। দিয়েছেন এই ডিজিটাল বাংলাদেশ।

ডা. দীপু মনি বলেন, সংগ্রাম মুখর জীবন শেখ হাসিনা একদম পরিবার থেকে দেখে এসেছেন। বাবা মায়ের সংগ্রামের যে মূল লক্ষ-মানুষের মধ্যে অগাধ ভালোবাসা তা শেখ হাসিনা পরিবার থেকে ধারণ করেছেন। সকল ঝুঁকি জেনেও তিনি দেশে এসেছেন। বাংলার মানুষের অগাধ ভালোবাসা ও আস্থা নিয়েই তিনি ফিরে এসেছেন। বাঙালিও কিন্তু সেদিন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে গ্রহণ করেছে ভালোবাসায়। সব রকম শঙ্কা নিয়েও তিনি নিজের ভাগ্যের কথা না ভেবে দেশের মানুষের কথা ভেবেছেন শেখ হাসিনা।

আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশকে নিয়ে এগিয়ে চলছেন না তিনি রয়েছেন মানব ধর্মে। তিনি নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় আমাদের পৌঁছে দেবেন। সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত বলেন, দেশের বাইরে থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা তখন আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করছেন। ১৯৮১ সালের পর দেশে এসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আগলে রেখেছেন আওয়ামী লীগ।

নুজহাত চৌধুরী বলেন, জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করতে তিনি যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছেন। এর কারণে নিজের জীবন তিনি বিপন্ন করেছেন। তিনি হয়েছেন অবিসংবাদিত নেতা। আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে চাই, আমার বঙ্গবন্ধুকে মনে নেই, কিন্তু আমরা শেখ হাসিনাকে দেখিছি। তরুণদের কাছে বলতে চাই ইতিহাস জানো। যেই শিশুটি আজ জন্মাবে তাকে এই ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস জানতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা