kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

স্বামীর জন্য রক্ত জোগাড় করতে গিয়ে ধর্ষিত

মিরপুর থেকে অভিযুক্ত ও এক নারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৩:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বামীর জন্য রক্ত জোগাড় করতে গিয়ে ধর্ষিত

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুমূর্ষু স্বামীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন। রক্ত জোগাড় করতে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছিলেন তাঁর স্ত্রী। এই পর্যায়ে রক্তের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে একটি বাসায় নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেছে মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব নামে এক ব্যক্তি। র‌্যাবের কাছে এমন অভিযোগ যাওয়ার পর সজীবকে আটক করেছে র‌্যাব। ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে শিল্পী নামে এক নারীকেও আটক করা হয়েছে।

র‌্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আব্দুল্লাহ আল মামুন গতকাল শনিবার রাতে কালের কণ্ঠকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন গত ১৬ সেপ্টেম্বর। গতকাল তিনি র‌্যাব-২-এর কার্যালয়ে এসে অভিযোগ দেওয়ার পর তদন্তে নামে র‌্যাব। অভিযানের একপর্যায়ে সজীব ও তাঁর সহায়তাকারী শিল্পী নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী থেকে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে ওই র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই নারীর স্বামী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক তাঁর স্বামীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের ব্যবস্থা করতে বলেন। তিনি রক্তের সন্ধানে শান্তা হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় ব্লাড ব্যাংকের সামনে গিয়ে তিন-চারজনকে দেখতে পান। তাঁর প্রয়োজনের বিষয়টি মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব জেনে রক্তের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরদিন সজীব নিজেই যোগাযোগ করে বলেন যে রক্তের জোগাড় হয়েছে। পরে মিরপুরের মধ্য মণিপুরপাড়ায় অবস্থিত শিফা ভিলার ভাড়াটিয়া মাশনু আরা বেগম ওরফে শিল্পীর বাসায় ওই নারীকে নিয়ে যান সজীব। সেখানে শিল্পীর সহায়তায় সজীব ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।

র‌্যাব জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফোন করে রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে জানিয়ে বখাটে সজীব ওই নারীকে দেখা করতে বলেন। এই পর্যায়ে তিনি চিকিৎসাধীন স্বামীকে বিষয়টি খুলে বলেন। পরে তাঁরা দুজন র‌্যাব-২-এর কার্যালয়ে এসে অভিযোগ করেন। আটক করার পর সজীব ও শিল্পী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

তদন্তে র‌্যাব জানতে পেরেছে, সজীবের সঙ্গে শিল্পীর দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁরা একে অন্যকে বিভিন্ন সময়ে অবৈধ কাজে সহযোগিতা করে থাকেন। এই চক্রে আরো কেউ আছে কি না তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা