kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ফিটনেসবিহীন পরিবহন শানাক্তে

সারা দেশে ফিটনেস পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপনের অগ্রগতি জানতে চান হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২০:০৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সারা দেশে ফিটনেস পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপনের অগ্রগতি জানতে চান হাইকোর্ট

ফিটনেসবিহীন পরিবহন শনাক্ত করার জন্য সারা দেশে যানবাহন পরীক্ষণ কেন্দ্র (ভেহিকেল ইন্সপেকশন সেন্টার-ভিআইসি) স্থাপনের বিষয়ে বিআরটিএ’র কার্যক্রমের অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। দুইমাসের মধ্যে তা বিআরটিএ-কে জানাতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ। বিআরটিএ’র পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রাফিউল ইসলাম।

শুনানিতে বিআরটিএ’র আইনজীবী আদালতকে জানান, বিআরটিএ ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, বেসরকারি গাড়ির লাইসেন্সের মেয়াদ প্রথমবার ৫ বছর এবং পরবর্তীতে প্রতি দুইবছর অন্তর ফিটনেস নবায়ন করা যাবে। আর গাড়ি যেখানেই নিবন্ধন হোক না কেন বিআরটিএ’র যেকোনো সার্কেল হতেই ওই গাড়ির ফিটনেস নবায়ন করা যাবে। তিনি আদালতকে বলেন, সারা দেশে আরো ১২টি ভিআইসি স্থাপনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। যার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা দুইমাসের মধ্যে এর একটা অগ্রগতি জানাতে পারবো। এরপর আদালত এবিষয়ে অগ্রগতি জানাতে দুইমাস সময় দিয়ে আদেশ দিয়েছেন। 

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যানবাহনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ফিটনেস জরিপে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ২০১৮ সালের ৯ জুলাই বিআরটিএ’র চেয়ারম্যানকে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ। নোটিশে যানবাহনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ফিটনেস জরিপে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা ১০ দিনের মধ্যে জানাতে বলা হয়। এই নোটিশের জবাব না পেয়ে ওই বছরের ২৬ জুলাই রিট আবেদন করা হয়। এ রিট আবেদনে হাইকোর্ট ওই বছরের ৩১ জুলাই এক আদেশে সারা দেশে ফিটনেসবিহীন পরিবহন শনাক্ত করার জন্য কমপক্ষে ১৫ সদস্যের একটি জাতীয় নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে সরকারকে নির্দেশ দেন। এই কমিটিকে যানবাহনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ফিটনেস জরিপ করে একটি প্রতিবেদন তিনমাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া জারি করা রুলে ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধে বিবাদিদের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধে গণপরিবহনের ফিটনেস নিশ্চয়তা ও নজরদারিতে বিবাদিদের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এরপর ওই বছরের ২৩ অক্টোবর ১৬ সদস্যের কমিটি গঠন করে বিআরটিএ আদালতকে জানায়। এরই ধারাবাহিকতায় বিআরটিএ আদালতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক প্রতিবেদন দাখিল করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা