kalerkantho

রবিবার। ১৬ কার্তিক ১৪২৭ । ১ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

তাজরিন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিপূরণ দাবি ভুক্তভোগীদের

অনলাইন ডেস্ক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৫:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তাজরিন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিপূরণ দাবি ভুক্তভোগীদের

তাজরীন ফ্যাশনসের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হতাহত শ্রমিক ও তাঁদের স্বজনদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও সুচিকিৎসার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে ভুক্তভোগী শ্রমিকদের ২০টি পরিবার অংশ নেয়। 

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা বলেন, তাজরিন অগ্নিকাণ্ডে ভুক্তভোগী অনেক শ্রমিক এখনো তাঁদের  প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ পাননি এবং চিহ্নিত হয়নি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার। এখনো বুকভরা ব্যথা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কেঁদে কেঁদে দিন কাটাচ্ছে।

আহত শ্রমিকরা এখন বিনা উপার্জনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন উল্লেখ করে শ্রমিকরা বলেন, তাঁদের বাড়িতে থাকার কোনো পরিবেশ নেই, অনেকের পরিবারে অন্য কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে অসুস্থতায় অন্য কোনো কাজও করা সম্ভব হয় না। অবিলম্বে আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও সুচিকিৎসার দাবি জানান তাঁরা।

২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে তাজরীন ফ্যাশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১১১ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। প্রয়োজনীয় টাকা-পয়সা ও সুচিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে ২০১৪ সালের ১৩ আগস্ট আমেনা নামের একজন আহত শ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। এর আগে একই বছর ২১ মার্চ দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সুচিকিৎসার অভাবে মারা যান আরো এক আহত শ্রমিক সুমাইয়া খাতুন।

অগ্নিকাণ্ডের সময় গার্মেন্টটিতে প্রায় হাজারখানেক শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। কারখানায় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও ঘটনার দিন একটিও ব্যবহার করা হয়নি। আগুনের সতর্কসংকেত বাজার পরও কারখানার মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপকরা শ্রমিকদের কারখানা ত্যাগে বাধা দিয়েছিলেন। এ ছাড়া আগুন লাগার তথ্য গোপন করে শত শত শ্রমিককে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা