kalerkantho

শুক্রবার । ৭ কার্তিক ১৪২৭। ২৩ অক্টোবর ২০২০। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বাসার পাশেই ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাত, মারা গেলেন বাস কাউন্টারের সুপারভাইজার

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাসার পাশেই ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাত, মারা গেলেন বাস কাউন্টারের সুপারভাইজার

ফজরের নামাজের একটু আগে বাসা থেকে বের হন আক্তার হোসেন। বাসার পাশেই ছিনতাইকারীরা তাঁর বুকে ছুরিকাঘাত করে টাকাভর্তি হাতব্যাগসহ সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে রাজধানীর সায়দাবাদে।

নিহত আক্তার হোসেন সিকদারের (৫০) বাড়ি কুমিল্লার মুক্তিনগর উপজেলায়। দুই ছেলে ও পরিবার নিয়ে ধলপুর লিচু বাগান ৩৫/৬ নম্বর বাসায় থাকতেন তিনি। তাঁর বাবা মৃত আলী সিকদার। তিনি 'যাতায়াত পরিবহন'-এর কাউন্টারের সুপারভাইজার ছিলেন।

নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার বলেন, আমার চাচা ভোরে ফজরের আজানের আগে বাসা থেকে বের হন সায়েদাবাদে  'যাতায়াত পরিবহন'-এর কাউন্টারের উদ্দেশে। কিছুদূর যেতেই সায়েদাবাদের লিচু বাগান মসজিদের পাশের একটি গলিতে ঘটনার শিকার হন তিনি। সেখানে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। আশপাশের লোকজন মসজিদে যাওয়ার সময় পড়ে থাকতে দেখে তাঁকে চিনতে পারেন এবং আমাদের খবর দেন। আমরা গিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। এ সময় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বুকে ছুরিকাঘাতের জখম ছিল।

রাকিব সিকদার আরো বলেন, 'আমার চাচা ভোরে টাকা নিয়ে বাস কাউন্টারের যান। আর যাওয়ার পথেই ঘটনা শিকার। তাঁর কাছে টাকার ব্যাগ, মানিব্যাগ কিছুই পাইনি। আমাদের ধারণা  ছিনতাইকারীরা তাঁকে ছুরি মেরে তাঁর কাছে থাকা টাকা-পয়সা নিয়ে গেছে।' কী পরিমাণ টাকা ছিল-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আনুমানিক ২০-৩০ হাজার টাকা হতে পারে।' 

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢামেক মর্গে রয়েছে বলে  জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, 'আমরা ঘটনাস্থলে আছি, আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও আছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি এটি  ছিনতাইয়ের ঘটনা, নাকি পূর্ব কোনো সত্রুতার কারণে ঘটেছে।' তিনি বলেন, 'লোকটি একটি বাস কাউন্টারে চাকরি করতেন, তাঁর কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তাঁদের বাসার কাছেই ঘটনার শিকার হয়েছেন তিনি। আশপাশে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। আমরা দেখছি। আশা করি শিগগিরই রহস্য বের করা যাবে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা