kalerkantho

শুক্রবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৭ সফর ১৪৪২

আরো ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ২,৯৯৬

অনলাইন ডেস্ক   

১১ আগস্ট, ২০২০ ১৫:৪২ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



আরো ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ২,৯৯৬

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণে আরো ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৯৯৬ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৪৭১ জন। আর সব মিলিয়ে শনাক্ত হয়েছে দুই লাখ ৬৩ হাজার ৫০৩ জন।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারি বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিন প্রকাশে অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ডা. নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণে দেশে আরো ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এঁরা ২৮ জন পুরুষ এবং পাঁচজন নারী। এঁদের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে তিনজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে তিনজন। এ নিয়ে দেশে করোনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৪৭১ জনের।

এ পর্যন্ত যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের মধ্যে পুরুষ দুই হাজার ৭৪৯ জন এবং নারী ৭২২ জন। আর বয়স বিবেচনায় এ পর্যন্ত যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের বয়স ০ (শূন্য) থেকে ১০ বছরের মধ্যে ১৯ জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৯০ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২২৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪৭৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৯৮৬ জন এবং ষাটোর্ধ এক হাজার ৬৪২ জন।

জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা ঢাকা বিভাগের ১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন, খুলনা বিভাগের তিনজন, রাজশাহী বিভাগের পাঁচজন, ময়মনসিংহ বিভাগের একজন এবং রংপুর বিভাগের চারজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ৩০ জন এবং বাসায় তিনজন।

বিভাগ অনুযায়ী এ পর্যন্ত যাঁরা মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁরা ঢাকা বিভাগের এক হাজার ৬৫৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৮১৬ জন, রাজশাহী বিভাগের ২২৬ জন, খুলনা বিভাগের ২৬৮ জন, বরিশাল বিভাগের ১৩৪ জন, সিলেট বিভাগের ১৫৮ জন, রংপুর বিভাগের ১৩৯ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ৭৬ জন।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫৩৫ জন। এ নিয়ে দেশের করোনা সংক্রমণ থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৫১ হাজার ৯৭২ জন।

ডা. নাসিমা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৫ হাজার ৩১৭টি। একই সময় পূর্বের নমুনাসহ পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৮২০টি। এর মধ্যে করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে দুই হাজার ৯৯৬ জনকে। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখ ৬৩ হাজার ৫০৩ জন। আর এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৮টি।

ব্রিফিংয়ের শুরুতেই জানানো হয়, করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষায় দেশে আরো একটি বেসরকারি পরীক্ষাগার সংযোজিত হয়েছে। এটি হচ্ছে রাজধানীর মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড, মিরপুর ব্র্যাঞ্চ। এ নিয়ে করোনা পরীক্ষায় দেশে মোট পরীক্ষাগারের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৬টিতে।

আইসোলেশন প্রসঙ্গে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে আরো ৮৬৩ জনকে। একইসময় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৫৮৪ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে গেছেন ৫৮ হাজার ৩৪৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৫ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ২৬০ জন। 

কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গেও তথ্য দেওয়া হয় বুলেটিনে। বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিনে গেছেন দুই হাজার ৮৮৪ জন। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে গেছেন মোট চার লাখ ৫৭ হাজার ৬০৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন দুই  হাজার ৫৫৯ জন। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন চার লাখ চার হাজার ৮০১ জন। ছাড়ের পর বর্তমানে হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫২ হাজার ৮০৭ জন।

বুলেটিনে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বাতায়ন এবং আইইডিসিআর'র হটলাইনে কল এসেছে ৬৩ হাজার ৩৬৩টি। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ফোনকল এসেছে এক কোটি ৮৬ লাখ ৫১ হাজার ৯১টি। এসব কলে সবাইকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

টেলিমেডিসিন সেবায় প্রতিদিন ৩৫ জন চিকিৎসক এবং ১০ জন স্বাস্থ্যতথ্য কর্মকর্তা দুই শিফটে মোট ৯০ জন টেলিমেডিসিনে করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় তাঁদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছেন এক হাজার ৬৭৮ জন। এ পর্যন্ত এক লাখ ৮৮ হাজার ৩৯২ জন এই সেবা গ্রহণ করেছেন বলে জানানো হয় বুলেটিনে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা