kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে সন্ত্রাসী হামলা

ছাত্রলীগ নেতা ইমনকে কুপিয়ে জখম, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ আগস্ট, ২০২০ ২০:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ছাত্রলীগ নেতা ইমনকে কুপিয়ে জখম, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন

বিএনপি ও জামায়াত-শিবির অধ্যুষিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুরে ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার জামান আনসারীসহ আরো কয়েকজনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ছাত্রনেতা সৌরভ জাহান ইমন। তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তাঁর মাথায় ৩২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিএনপি ক্যাডার ইউসুফের নেতৃত্বে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পথরোধ করে হামলা করা হয়। উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মোবারক হোসেন টনিসহ ১০ থেকে ১২ জন মাইক্রো স্টেশনে ধারালো চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। আহত ইমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মেডিক্যালে, পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পিতা শরিফুল ইসলাম আনসারী ছয় আসামির নাম উল্লেখ করে ২০ থেকে ২৫ জনের নামে এই মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। কয়েক দিন আগে কাজীগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন মারা যায়। ঠিক পরদিন রহনপুর ইউনিয়নের কাজীগ্রাম-রামদাস বিলে অস্বাভাবিক গতিতে বাইক চালাতে তাদের নিষেধ করা হয়। এতে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে রহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফি আনসারীর ভাতিজা শাহরিয়ার জামান আনসারীকে রহনপুর স্টেশন বাজারে দেখতে পেয়ে নয়ন, আশিক, তমালসহ ১০ থেকে ১২ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলার শিকার শাহরিয়ার জামান আনসারী কালের কণ্ঠকে জানান, আনুমানিক রাত ৯টায় বিএনপির ক্যাডার ইউসুফ স্লুইস গেট থেকে আমার পিছু নেয়। রহনপুর রেলস্টেশনের মেইন গেটের সামনে পরিকল্পিতভাবে পথরোধ করে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। স্থানীয় লোকজন আমাকে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ কথা জানার পর রহনপুর পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সৌরভ জাহান ইমন আমাকে দেখতে গেলে মাইক্রো স্টেশনে সন্ত্রাসীরা তাকে ধারালো চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

ইমনের বর্তমান অবস্থার বিষয়ে তার ভাই ভাই মশিউর রহমান জানান, আগের চেয়ে পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো। মাথায় আঘাতের দুটি চিহ্ন রয়েছে। বলতে গেলে আল্লাহ বাঁচিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করছি। 

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, পূর্বশত্রুতাবশত এই হামলা করা হয়েছে। আসামিরা দলবদ্ধভাবে লাঠি, লাদনা, লোহার রড ও হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করে। লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মাথা ফেটে যায়। মামলার আসামিরা হলেন- তমাল, মো. নয়ন, মো. আশিক, মো. ইউসুফ ও অন্য ২০ থেকে ২৫ জন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা