kalerkantho

শুক্রবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৭ সফর ১৪৪২

গার্মেন্টে করোনার আঘাতের যে চিত্র ধরা পড়ল ডিজিটাল জরিপে

অনলাইন ডেস্ক   

৪ আগস্ট, ২০২০ ১৪:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গার্মেন্টে করোনার আঘাতের যে চিত্র ধরা পড়ল ডিজিটাল জরিপে

করোনাকালে বিপর্যয় নেমে আসছে দেশের অর্থনীতিতে। আর সেই চিত্র ফুটে উঠেছে ডিজিটাল ম্যাপে। পরিসংখ্যান বলছে, শতকরা ৯ ভাগ তৈরি পোশাক কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। সেন্টার ফর এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভলোপমেন্ট সিইডি এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি ম্যাপড ইন বাংলাদেশ (এমআইবি) প্রকল্পটি চলতি বছরের শুরুর দিকে সারা দেশের কারখানায় করোনার প্রভাব পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। ২০ শে জুলাই থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ের জরিপ শুরু হয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ের জরিপে ফোন কলের মাধ্যমে ডাটা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা, গাজীপুর থেকে ২ হাজার ৩৩৪ টি এবং নারায়নগঞ্জ ,চট্টগ্রাম থেকে ৩ হাজার ৩৪২ টি ফ্যাক্টরির উপর জরিপ চালানো হয়েছে।

অনুসন্ধানে পাওয়া যায় ১ হাজার ৮৫০ টি কারখানা এখন চালু রয়েছে। এর মধ্যে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে ২৮৬ টি, ১৯৮ টি একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। ১৪৩ টি কারখানা ফেইস মাস্ক বা পিপিই তৈরি করছে এর মধ্যে ৬৯ টি কারখানা বলছে তারা রপ্তানী বাজারের জন্য তৈরি করছে।

চালু এবং অস্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে ২ হাজার ১৩৬ টি কারখানা জুনের পরেই কাজ শুরু করার কথা জানিয়েছে। শতকরা ২৫.১% কারখানা বলেছে যে তারা আংশিকভাবে তাদের কাজ শুরু করার আশা করেছিল এবং ৩০.৬ শতাংশ কারখানা তাদের কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে সক্ষম হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চিত ছিল।

বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএর অন্তর্ভুক্ত করাখানাগুলো  তাদের উত্পাদন সক্ষমতা ৭০.৬ ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে সদস্য নয় এমন কারখানাগুলোর এই হার ৫৯.৮ শতাংশ। যে কারখানাগুলো বর্তমানে চালু রয়েছে সেগুলো মহামারীকালীন সময়ে আগের তুলনায় তুলনায় তাদের কর্মশক্তির ৯২ শতাংশ ব্যবহার করেছে। কর্মশক্তি ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি ছিলো ঢাকায় ৯৬.৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন গাজীপুরে ৮৯ শতাংশ।

দেশব্যাপী জরিপের মাধ্যমে সংগৃহীত রফতানিমুখী আরএমজি কারখানার ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে আরএমজি খাতে স্বচ্ছতার লক্ষ্যে চার বছরের (২০১৭ থেকে ২০২১) এমআইবি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ডিজিটাল মানচিত্রের বিটা সংস্করণটি এরই মধ্যে ঢাকা, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে ২ হাজার ৮৩৭ টি কারখানার তথ্য প্রকাশ করেছে, তবে  তবে শীঘ্রই চট্টগ্রামের ৫০৫ টি কারখানার তথ্য যুক্ত করা হবে। নেদারল্যান্ডসের অর্থ সহায়তায় এই জরিপ পরিচালতি হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা