kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

ওয়ারীতে লকডাউনের ভিন্ন রূপ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ জুলাই, ২০২০ ০২:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওয়ারীতে লকডাউনের ভিন্ন রূপ

কঠোর অবস্থানে প্রশাসন—এমন ঘোষণা দিয়ে ওয়ারীতে শুরু হয়েছিল লকডাউন। তারপর সব ঢিলেঢালা। গতকাল সেখানে কমিশনারের লোকজন গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড় করিয়ে মানুষের মাঝে শাকসবজি বিতরণ করে। ছবি : কালের কণ্ঠ

করোনা সংক্রমণ রোধে রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় চলছে লকডাউন। কিন্তু সেই লকডাউন কার্যকরের মাত্রা দিনের একেক সময় থাকে একেক রকম। বিশেষ করে, সকালের দিকে লকডাউনের কোনো আবহ থাকে না বললেই চলে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, লারমিনি স্ট্রিটে শত শত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে শাকসবজি নিচ্ছে। নেই সামাজিক দূরত্ব।

ওয়ারীতে লকডাউন শুরু হয় ৪ জুলাই। পরের দিন থেকে স্থানীয় কাউন্সিলর সারোয়ার হাসান আলোর উদ্যোগে স্থানীয় লোকজনের মাঝে বিনা পয়সায় শাকসবজি বিতরণ করা হচ্ছে। আর এতে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছেন ওয়ারীর বাসিন্দা ও শিল্পপতি নবী উল্লাহ নবী।

গতকাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওয়ারীতে গিয়ে দেখা যায়, লারমিনি স্ট্রিটে তিন শতাধিক মানুষ সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের মাঝে প্যাকেটে করে শাকসবজি বিতরণ করছেন কয়েকজন। তাঁদের একজন নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রতিদিন ভোর ৫টার দিকে আমরা বাজার করতে যাই। বাজার করে এসে প্যাকেটে করে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে সেগুলো বিতরণ করি।’

সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার। কিন্তু অনেকে মানতে চায় না।’

গতকাল দুপুর ১টার দিকে দেখা গেছে ওয়্যার স্ট্রিটের দিকের রাস্তা দিয়ে ডায়াবেটিক হাসপাতালে যাওয়ার জন্য এক নারীকে নিয়ে এসেছেন আরেক নারী। গেট দিয়ে ঢোকার সময় স্বেচ্ছাসেবকরা তাঁদের জানান, তিনি নতুন রোগী। এ কারণে তাঁকে ভেতরে যেতে দেওয়া হবে না। তাঁদের অন্য হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিদায় করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

রোগীর সঙ্গে থাকা আসমা বেগম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা যাত্রাবাড়ী থেকে এসেছি। ওয়ারী এলাকার এই হাসপাতালটা কাছে। ঢুকতে না দেওয়ার কারণে এখন বারডেমে যেতে হবে। এটা খুবই ভোগান্তির ব্যাপার।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা