kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

করোনাকালের নির্বাচনে বিএনপির ‘না’

বগুড়া-যশোরের পাশাপাশি বাকি তিন উপনির্বাচনেও থাকছে না দলটি

শফিক সাফি   

৮ জুলাই, ২০২০ ০২:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাকালের নির্বাচনে বিএনপির ‘না’

করোনা মহামারির এই সময়ে ভোটের মাঠে থাকতে চায় না বিএনপি। বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনে না থাকার সিদ্ধান্ত তারা এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে। দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি না পাল্টালে ঢাকা-৫, পাবনা-৪ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনেও বিএনপির থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

বগুড়া ও যশোরের দুই আসনের উপনির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপি এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানিয়ে দিয়েছে। ইসির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানিয়েছে তারা। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন না পেছালে ব্যালট পেপারে যেন তাদের দলের প্রতীকও না রাখা হয়।

গত ৫ জুলাই বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। অনলাইনের মাধ্যমে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয় উপনির্বাচনে অংশ না নেওয়ার।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘করোনায় মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এই অবস্থায় আমরা দুটি উপনির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিস্থিতি যদি উন্নতি না হয়, তাহলে বাকি তিন উপনির্বাচনে অংশগ্রহণও অনিশ্চিত।’

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘এই অস্থির সময়ে বিএনপি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়, লোক-দেখানো রাজনীতি করতে চায় না। সরকার কি অন্ধ? যেখানে করোনায় দেশের মানুষ মারা যাচ্ছে, দেশের উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে, সেখানে কিভাবে নির্বাচন করতে চায়।’ বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনে করোনার কারণে গত ২১ মার্চ ভোট স্থগিত করে ইসি। সে সময় পর্যন্ত নির্বাচনীপ্রক্রিয়ায় বৈধ প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে প্রচারও চালান। ভোট হওয়ার কথা ছিল ২৯ মার্চ। ইসি নতুন করে তারিখ নির্ধারণ করেছে ১৪ জুলাই।

যশোর-৬ আসনের প্রার্থী ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, ‘এমন সময় উপনির্বাচন করতে চাচ্ছে, যে সময় আমার স্থানীয় পার্টি অফিস লকডাউনের এলাকায় রয়েছে। তাই দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার সঙ্গে আমি শতভাগ একমত।’ এদিকে ঢাকা-৫, পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) ও সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) আসনে উপনির্বাচনের তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। গত ১৭ জুন শূন্য ঘোষণা করা হয় সিরাজগঞ্জ-১ আসন। ঢাকা-৫ আসন শূন্য হয় গত ৭ মে। পাবনা-৪ আসন শূন্য হয়েছে গত ১২ এপ্রিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা