kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান

সালাম ঢালীর কারাবাস জাহালম ঘটনার পুনরাবৃত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ জুলাই, ২০২০ ১৯:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সালাম ঢালীর কারাবাস জাহালম ঘটনার পুনরাবৃত্তি

বিনা অপরাধে খুলনার সালাম ঢালীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনাকে বহুল আলোচিত জাহালম ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম বলেছেন, নিরপরাধ হয়েও সালাম ঢালী জেল খেটেছেন যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এই ঘটনা জাহালম ঘটনার পুনরাবৃত্তি। আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমের কাছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়। 

কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফারহানা সাঈদ স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘কমিশন চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম আরো বলেন, একের পর এক এধরনের ঘটনা ঘটছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সঠিক যাচাই বাছাই না করে নিরপরাধ ব্যক্তিকে আটক রোধে যথোপযুক্ত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। উক্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সতর্ক করার জন্য সরকারের বরাবর পত্র প্রেরণ করা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার শেখপাড়া মেইন রোডের মৃত শফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. আবদুস সালামের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটে এক মামলা হয়। এই মামলায় বাগেরহাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০০৯ সালের ৩০ জুলাই এক রায়ে তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেয়। কিন্তু সালাম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ১৫ বছর আগের এই পরোয়ানামূলে পুলিশ গত ১১ মার্চ রাতে খুলনা সদর থানা এলাকার ৬০/১৮, শের-এ-বাংলা রোডের বাসিন্দা মৃত মফিজ উদ্দিন ঢালীর ছেলে সালাম ঢালীকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ৫ জুলাই হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করা হয়। 

এর পরদিন ৬ জুলাই বাগেরহাট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সালাম ঢালীর জামিনের আবেদন করা হয়। আদালত তাকে জামিন দিলে ওইদিনই সালাম ঢালী কারাগার থেকে মুক্তি পান। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে দাবি করা হয়েছে, সালাম ঢালীর ঘটনা জানার পর কমিশন স্বপ্রনোদিত বাগেরহাটে কমিশনের প্যানেল আইনজীবী মাধ্যমে আইনি সহায়তা দিয়ে মুক্তির ব্যবস্থা করে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা