kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

করোনা টেস্ট প্রতারণা

রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয় সিলগালা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ জুলাই, ২০২০ ১৭:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয় সিলগালা

টেস্ট না করেই করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়াসহ নানা অভিযোগে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে ঢাকার উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয়। বেলা ৪টার দিকে রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব। সেখানেও অনুমোদনহীন টেস্ট কিট ও বেশ কিছু ভুয়া রিপোর্ট পাওয়া গেছে বলে জানান র‍্যাবের নির্বাহী হাকিম সারোয়ার আলম।

অভিযান শেষে তিনি বলেন, রিজেন্ট হাসপাতাল ও প্রধান কার্যালয় সিলগালা করে দিয়েছি। হেড অফিসে বসেই মিথ্যা রিপোর্ট তৈরি করত তারা। হেড অফিসে ৫/৭ দিনের স্যাম্পল এক সাথে করে ফেলে দিত। ভুয়া রিপোর্টও পেয়েছি। অনুমোদনহীন র‍্যাপিড কিট আমরা পেয়েছি। তিনি আরো জানান, রিজেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের কুর্মিটোলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ওদের গ্রুপ কার্যালয়টিও সিলগালা করে দিয়েছি যেখানে হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়সহ আরো কয়েকটি অফিস ছিল তাদের। তবে এর মালিক মোহাম্মদ সাহেদকে এখনো আটক করা যায়নি।

প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালানোর সময় তিনি বেশ কিছু রিপোর্ট ও কিট সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, দেখুন এগুলো তো হাসপাতালে থাকার কথা। অথচ এসব রিপোর্ট পড়ে আছে তাদের গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে। হাসপাতালটিতে আজ দুপুর নাগাদ ১৪ জন কভিড-১৯ রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। এর আগে সোমবার বিকেলে রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর সারোয়ার আলম জানিয়েছিলেন, এখন পর্যন্ত দুশোর মতো রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে রিজেন্ট হাসপাতাল।

বিকেলেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা হবে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি। এসব অনিয়মের সাথে হাসপাতালটির চেয়ারম্যানই জড়িত এবং তিনি নিজেই এসব ডিল করেছেন, বলেন সরোয়ার আলম।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে এটি দ্বিতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান যার বিরুদ্ধে মামলা হলো। এর আগে জেকেজি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠার পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তার প্রমাণ পেয়ে সেটি বন্ধ করে দিয়েছিল। আটকও করা হয়েছিল কয়েকজনকে। তবে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিককে আটক না করা গেলেও সোমবারই হাসপাতালটির আটজন কর্মকর্তাকে আটক করেছে র‍্যাব। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অনুমোদন দিয়েছিল ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে। পরে ২০১৭ সালে মিরপুরেও হাসপাতালটির আরেকটি শাখা খুলে তার অনুমোদন নেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা