kalerkantho

সোমবার  । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ৩ আগস্ট  ২০২০। ১২ জিলহজ ১৪৪১

নিরাপরাধ সালামকে গ্রেপ্তার নিয়ে রিটের শুনানি আদালত খুললে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ জুলাই, ২০২০ ১৪:৪৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নিরাপরাধ সালামকে গ্রেপ্তার নিয়ে রিটের শুনানি আদালত খুললে

খুলনায় নিরাপরাধ সালাম ঢালীকে গ্রেপ্তারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দাখিল করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি হবে নিয়মিত হাইকোর্ট খোলার পর। 

রিট আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবীর আবেদনে আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এ আদেশ দিয়েছেন বিচারপতি জে বি এম হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ।

খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার মৃত শফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. আবদুস সালামের পরিবর্তে খুলনা সদর থানার মৃত মফিজ উদ্দিন ঢালীর ছেলে সালাম ঢালীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় ৫ জুলাই হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করা হয়। একটি রিট আবেদন করেন সালাম ঢালী এবং মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান। অপরটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। 

রিট আবেদনে সালাম ঢালীর পরিচয় নিশ্চিত হতে তাঁকে সশরীরে অথবা ভার্চুয়াল মাধ্যমে আদালতে হাজির করা, তাঁকে মুক্তি দেওয়া, তাঁকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ঘটনায়  জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়। 

আবেদনে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, কারা মহাপরিদর্শক, খুলনার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশিস্নষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। সালাম ঢালীকে কারাগারে পাঠানো নিয়ে 'নামের মিল, আসল আসামির পরিবর্তে জেল খাটছেন মুদি দোকানি' এবং 'আসামি না হয়েও জেল খাটছেন খুলনার সালাম ঢালী' শিরোনামে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদন করা হয়।

এরমধ্যে শিশির মনিরের রিট আবেদনটি গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত ৮ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করেন। এ অবস্থায় সোমবার বিকেলে বাগেরহাটের আদালত সালাম ঢালীকে মুক্তির নির্দেশ দিলে তাঁকে বাগেরহাট কারাগার থেকে সোমবারই মুক্তি দেওয়া হয়। 

এ অবস্থায় সালাম ঢালী ও আসকের করা রিট আবেদনটি আজ মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসানের আদালতের কার্যতালিকায় আসলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী জেড আই খান পান্না, ইয়াদিয়া জামান ও শাহিনুজ্জামান বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন এবং রিট আবেদনটি নিয়মিত আদালতে শুনানি করতে চান বলে জানান। এরপর আদালত নিয়মিত আদালত খোলার পর শুনানির আদেশ দেন। 

খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার শেখপাড়া মেইন রোডের মৃত শফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. আবদুস সালামের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটে এক মামলা হয়। এতে বাগেরহাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০০৯ সালের ৩০ জুলাই এক রায়ে তাঁকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। কিন্তু সালাম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ১৫ বছর আগের এই পরোয়ানায় পুলিশ গত ১১ মার্চ রাতে খুলনা সদর থানা এলাকার ৬০/১৮, শের-এ-বাংলা রোডের বাসিন্দা মৃত মফিজ উদ্দিন ঢালীর ছেলে সালাম ঢালীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা