kalerkantho

সোমবার  । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ৩ আগস্ট  ২০২০। ১২ জিলহজ ১৪৪১

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ধান বীজ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ জুলাই, ২০২০ ০১:৩৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ধান বীজ বিতরণ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত আড়াই হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের হাইব্রীড বীজ বিতরণ করেছে অনির্বাণ লাইব্রেরি। খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার মামুদ কাটী গ্রামে লাইব্রেরির মূল ভবনে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই বীজ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বীজ পৌঁছে দেওয়া হয়।

গতকাল সোমবার সকালে বীজ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু। লাইব্রেরীর সভাপতি কালিদাশ চন্দ্র চন্দ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, যুগ্ম সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুজিত মন্ডল, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এসএম হাবিব, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, পেট্রোকেম বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা চৌধুরী গোলাম নূর-এ-সানি, অধ্যাপক অশোক ঘোষ, প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার শম্পা, লাইব্রেরির সাবেক সভাপতি সমীরণ দে, সহ-সভাপতি মানিক ভদ্র, সাধারণ সম্পাদক প্রভাত দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আনিছুর রহমান, অনির্বাণ ছাত্র সংসদের সভাপতি বিপ্লব মন্ডল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, বঙ্গবন্ধু আজীবন এ দেশের কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এরশাদ-খালেদা যখন দেশ পরিচালনা করেছে তখন কৃষকের দুঃসময় গেছে। বিদ্যুৎ ও সারের জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে। জীবন দিতে হয়েছে কৃষককে। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এখন সারের পিছে কৃষককে ছুটতে হয় না। কৃষকরা সুলভমূল্যে সার ও বীজ পাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এখন দেশের কোথাও মঙ্গা নেই। দেশের কোনো মানুষ না খেয়ে থাকে না। কৃষি খাতে সরকার সাফল্য অর্জন করায় দেশে এখন আর খাদ্য ঘাটতি নাই।

সংসদ সদস্য বাবু বলেন, মহামারি করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও সরকার দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে নির্বাচনী এলাকার দুই উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সরকারের টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও আমরা নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে বাঁধ মেরামত করেছি। করোনা পরিস্থিতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে সার্বক্ষণিক মানুষের পাশে রয়েছি। এ জন্য দেশের এই ক্রান্তিকালে একটি মানুষেরও দুর্ভোগ হয়নি।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কৃষক হচ্ছে দেশের চালিকা শক্তি, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে হলে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। এ জন্য কৃষকদের অগ্রণী ভূমিকা থাকতে হবে। তিনি কৃষি কাজে আধুনিক প্রযুক্তি ও ফসলের পরিবেশ বান্ধব উন্নত জাত ব্যবহার করে কৃষি ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা