kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

'পাটকল বন্ধের ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুলাই, ২০২০ ১৭:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'পাটকল বন্ধের ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা'

রাষ্ট্রীয় পাটকলসমূহ বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তকে মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা বলে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের প্রধান শিল্প পাটকলসমূহ রাষ্ট্রায়ত্তকরণ করা ছিল ৫৪’র যুক্তফ্রন্ট্রের ২১-দফা ও ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র সমাজের ১১-দফার অন্যতম অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন। গত ৪০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন সরকারসমূহ এশিয়ার বৃহত্তম পাটকল আদমজীসহ বিভিন্ন পাটকল বন্ধ ও বেসরকারিকরণ করে সে অঙ্গীকারকে পদদলিত করেছে। 

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ নেতৃবৃন্দ একথা বলেন।

সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক আহসান হাবীব লাবলু ও রুহিন হোসেন প্রিন্স, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাদেকুর রহমান শামীম, ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. সাজেদুল হক রুবেল প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০০২ সালে বিএনপি-জামাত সরকারের শিল্পমন্ত্রী রাজাকার নিজামীর হাত দিয়ে দেশের বৃহত্তম আদমজী পাটকল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দাবিদার বর্তমান আওয়ামী সরকার মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মন্ত্রীর হাত দিয়ে অবশিষ্ট ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পাটকলের সম্পত্তি লুটপাটের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ কাজের জন্য জাতি কখনও তাদের ক্ষমা করবে না। 

নেতৃবৃন্দ সরকারের বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে পাটকল শ্রমিক, পাটচাষি ও দেশবাসীকে আহ্বান জানান। তারা বলেন, সরকার যদি পাটকল বন্ধের মতো গণবিরোধী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করে তাহলে জনগণের স্বার্থরক্ষায় সরকরকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামানোই একমাত্র সমাধান।

সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা