kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

রাজধানীতে দুই আত্মহনন, মৃতদের একজন অনার্স পড়ুয়া তরুণী

ঢামেক প্রতিনিধি    

২ জুলাই, ২০২০ ১৬:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীতে দুই আত্মহনন, মৃতদের একজন অনার্স পড়ুয়া তরুণী

রাজধানীর কদমতলী ও বাড্ডায় পৃথক ঘটনায় এক তরুণীসহ দুইজনের আত্মহননের ঘটনা ঘটেছে।

কদমতলীতে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জাইন সুলতানা (২০) নামের এক অনার্স পড়ুয়া তরুণী। আর বাড্ডায় একইভাবে আত্মহত্যা করেছেন মো. ইয়াছিন (৩৮) নামের এক ব্যক্তি।

‌আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন জাইন সুলতানা। পরিবারের লোকজন অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দুপুর ১টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ঢামেক হাসপাতালের জরুরি  বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাইন রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকার আব্দুল ওহাব হালিমের মেয়ে। তিনি মহানগর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। এক ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বড়।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাইনের ফুফু মুর্শিদা আক্তার জানান, সকালে অফিসে চলে যান জাইনের বাবা-মা। তার ছোট ভাই ও জাইন রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে ছোট ভাই ঘুম থেকে উঠে জাইনকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাবা-মাকে ফোন দেন। তাঁরা বাসায় এসে তাকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

কী কারণে, কেন, আত্মহত্যা করেছেন সে ব্যাপারে কিছুই বলতে পারেনি মুর্শিদা আক্তার।

অপরদিকে, বাড্ডা এলাকায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমানে স্বামী ইয়াসিন  গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরিবারের বরাত দিয়ে তিনি জানান, মধ্যবাড্ডা এলাকায় বুধবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এর পর স্ত্রী হালিমা বেগম বাইরে বেরিয়ে যান। পরে রাতেই আবার বাসায় আসেন তিনি।

এদিকে, ওইদিন দিবাগত মধ্যরাতে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমানে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন স্বামী ইয়াসিন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। ইয়াসিনের বাবার নাম সেতু মিয়া বলে জানা গেছে।

ময়নাতদন্তের জন্য দুইজনের মরদেহই ঢামেক মর্গে রাখা  হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা