kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান বাম জোটের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ জুন, ২০২০ ১৯:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান বাম জোটের

সুনামগঞ্জ ও দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। আজ মঙ্গলবার জোটের এক সভা থেকে বন্যার্তদের প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে।

বাম জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদের (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক প্রমুখ।

সভায় গৃহীত প্রস্তাবে করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষায় সরকারি হাসপাতালে ফি নির্ধারণের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে গণবিরোধী এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানানো হয়। বলা হয়, এমনিতেই করোনা উপসর্গ গোপন করার প্রবণতা জনগণের রয়েছে। এর ওপর টেস্টে ফি লাগলে সাধারণ দরিদ্র জনগণ টেস্ট করাতে যাবে না। এতে করে করোনা সংক্রমণ বহুগুণে বেড়ে যাবে। তাই সকল নাগরিকের করোনা টেস্ট ও চিকিৎসা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বেই করতে হবে।

সভায় ভারতের বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে অব্যাহতভাবে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, বিজিবি ও বিএসএফ’র মধ্যে চুক্তি রয়েছে সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে না। ভারত বার বার বলছে সীমান্ত হত্যা বন্ধে তারা কার্যকর উদ্যোগ নিবে। কিন্তু বিএসএফ ও ভারত সরকারের কোনো আশ্বাসই কাজে আসছে না। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারও নতজানু নীতি গ্রহণ করে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। সরকারের নতজানু নীতি পরিহার করে সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতকে কার্যকর চাপ প্রয়োগের দাবি জানান বাম জোট নেতৃবৃন্দ। 

রাষ্ট্রীয় পাটকল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। বলা হয়, ১২০০ কোটি টাকা হলে যেখানে পাটকল আধুনিকায়ন করা সম্ভব। সেখানে ৬ হাজার কোটি টাকা দিয়ে কেন পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাটকলের জমি, জায়গা লুটপাটকারীদের হাতে নামমাত্র দামে তুলে দেওয়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জোটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা