kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

আইনজীবী সনদের দাবিতে

১৩ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন

বার কাউন্সিলের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ৭ জুলাই

বিশেষ প্রতিবেদক   

৩০ জুন, ২০২০ ১৮:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৩ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ২০১৭ ও ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় তেরো হাজার (১২৮৭৮ জন) শিক্ষার্থীকে কোনো লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই আইনজীবী হিসেবে সনদ দেওয়ার দাবিতে আজ মঙ্গলবার সকালে পৃথক পৃথক কর্মর্সচি পালন করেছেন শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা। 

এক গ্রুপ আইন শিক্ষানবিশ সমন্বয় পরিষদ ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে। আরেক গ্রুপ সম্মিলিত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারা অবিলম্বে তাদের আইনজীবী হিসেবে সনদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় আগামী ৭ জুলাই থেকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সামনে অবস্থান কর্মসুচি পালন করবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন।

সম্মিলিত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক সুমনা আক্তার লিলি, সদস্য সচিব আইনুল ইসলাম বিশাল, ব্যারিস্টার মঞ্জুর মোর্শেদ, আজিজুর রহমান, মো. আবু ইউসুফ, মো. রায়হান আলী, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান প্রমুখ। 

তারা বলেন, ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক রায়ে প্রতিবছর একবার করে আইনজীবী তালিকাভুক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করার জন্য বার কাউন্সিলকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সারাদেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণকারী এই প্রতিষ্ঠানটি আপিল বিভাগের এই রায় কার্যকর করেনি। 

তারা বলেন, বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তকরণ কমিটি (এনরোলমেন্ট কমিটি) আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল ও সিনিয়র আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত। তারাই যদি আপিল বিভাগের রায় না মানছেন না। 

তারা বলেন, প্রতিবছর পরীক্ষা হবার কতা থাকলেও শুধুমাত্র ২০১৭ সালের ২১ জুলাই এবং ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রিলিমিনারী পরীক্ষা নিয়েছে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এখনও লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। তারা বলেন, দেশে এখন করনো ভাইরাসের মহামারি অবস্থা চলছে। এরমধ্যে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব কি না জানিনা। পরীক্ষা নেওয়ার পরিবেশ না হলে এই ১২৮৭৮ শিক্ষার্থীকে আইনজীবী হিসেবে সনদ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হোক। 

একই দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে আইন শিক্ষানবিশ সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক একে মাহমুদ, রবিউল হোসাইন রবি, মোশাররফ পাভেল, মাহবুবুর রহমান, এসএম কাইয়ুম শুভ প্রমুখ বক্তব্য দেন। তারা করোনা পরিস্থিতিতে মানবিক বিবেচনায় তাদের আইনজীবী হিসেবে সনদ দেওয়ার দাবি জানান।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা