kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা

গার্মেন্ট মালিকরা গাছের খেয়ে এখন তলারটাও লুটতে চায়!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ জুন, ২০২০ ২০:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গার্মেন্ট মালিকরা গাছের খেয়ে এখন তলারটাও লুটতে চায়!

গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, মালিকরা সরকারি সমর্থনে গাছের খেয়ে এখন তলারটাও লুটতে চাচ্ছে। যার ফলে গার্মেন্ট শিল্পে শ্রমিক বিক্ষোভ থেকে এক অনিবার্য বিস্ফোরণ সময়ের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কঠোর আন্দোলনের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য মালিক ও সরকারের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণকেই দায়ী করেছেন নেতৃবৃন্দ।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের অব্যাহত ছাঁটাই ও মিথ্যা মামলায় শ্রমিক হয়রানি এবং বাজেটে শ্রমিকের রেশনিং-বাসস্থানের জন্য অর্থ বরাদ্দের দাবিতে আয়োজিত ওই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শ্রমিকনেতা মন্টু ঘোষ।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার, কেন্দ্রীয়নেতা দুলাল সাহা, এম এ শাহীন ও মঞ্জুর মঈন এবং ড্রাগন সোয়েটার কারখানার শ্রমিক আব্দুল কুদ্দুস, অজন্তা এপারেলস কারখানার শ্রমিক রিনা আক্তার, প্যারাডাইস ক্যাবল কারখানার শ্রমিক আব্দুল কাইউম প্রমুখ।

সমাবেশে শ্রমিকনেতা জলি তালুকদার বলেন, মালিকরা কাজ নেই অযুহাতে সরকারের কাছ থেকে শ্রমিকের বেতন বাবদ আর্থিক সুবিধা আদায় করেছে। পরবর্তীতে আবার শ্রমিকের সেই বেতন-বোনাস কেটে নিয়েছে। তারা সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই চাকুরিচ্যুতির ভয় দেখিয়ে শ্রমিকদের দফায় দফায় কাজে যোগ দিতে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে ছাটাই, নির্যাতন অব্যাহত ভাবে চলছে। এমন বৈশ্বিক মহামারীতে যারা শ্রমিকদের ওপর ইতিহাসের নিকৃষ্টতম জুলুম চালিয়েছে তাদেরকে কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে বলে তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে শ্রমিকনেতা মন্টু ঘোষ বলেন, মালিক সমিতির সভাপতির বক্তব্য উদ্দেশ্যমূলক। যা শ্রমিক নির্যাতনের উসকানি ছাড়া আর কিছুই নয়। শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা শ্রমিকরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। মালিকরা যে কথা বলে লকডাউনের মধ্যে কারখানা খুলেছেন, সেই অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাই কোনো অবস্থাতেই শ্রমিক ছাঁটাই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি আন্দোলনরত শ্রমিকদের নামে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে মুক্তি ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা