kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

‘আমি সুস্থ হয়ে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়বো’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ জুন, ২০২০ ১৫:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আমি সুস্থ হয়ে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়বো’

স্ত্রী-পুত্রসহ করোনা আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তবে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হচ্ছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আমার শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে, তবে আমি সুস্থ হয়ে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়বো। সোমবার দুপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা সময় এই কথা বলেন তিনি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি সুস্থ হয়ে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়বো। কারণ যেভাবে লোক ঠকানো হচ্ছে। একটা ইনজেকশনের দাম ১০ হাজার টাকা। আমাকে বলছে আপনার তো টাকা লাগবে না ইনজেকশন নিতে। আমি বলছি, ভালোই তো বাটপারি শুরু করছো। আমাকে বিনা পয়সায় দেবা আর লোকজনের গলা কাটবা। জনগণ প্রতারণার শিকার হবে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অনেকগুলো কম্পানি আছে। কয়টার আর নাম বলবো। এক লাখ টাকা দিয়ে চিকিৎসা করানো কার পক্ষে সম্ভব। ডা. জাফরুল্লাহ এক লাখ টাকা দিয়ে চিকিৎসা করাইতে পারবে? আমি যদি এতো টাকা দিয়ে চিকিৎসা করাইতে পারি, তাহলে আমি বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান করা উচিৎ, এতো টাকা কোথায় পাইলাম। আমি যদি ওই চিকিৎসা গ্রহণ করি, তাহলে আমার নামে দুদকের অনুসন্ধান করা উচিৎ। প্রতারণার একটা সীমা থাকা উচিৎ।

এমন পরিস্থিতিতে কি করা উচিৎ এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ওই ওষুধ তো দেখছি সোনার চেয়েও বেশি দাম। সরকার যদি ওষুধের মূল্য স্থির না করে, তাহলে যখন কোনো ওষুধের নাম বলা হবে, তখনই তার দামও বলতে হবে। জনগণকে জানাতে হবে ওষুধের দাম। তাহলে জনগণের মনে প্রশ্ন উঠবে কেনো এত টাকা দাম? এটা না করলে মানুষ দরিদ্র হয়ে যাবে। বেঁচে থেকে তখন লাভ কি, টাকার অভাবে আমি যদি খাইতেই না পারি, আমার ছেলে-মেয়ে খাবার না পায়। ধার-দেনায় জর্জরিত হয়ে যাই।

নিজের শারীরিক পরস্থিতি নিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, শরীর উন্নতির দিকে যাচ্ছে। শ্বাসকষ্ট কিছুটা আছে। গণস্বাসাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। আমার স্ত্রী ও পুত্রও করোনায় আক্রান্ত। তারা বাসায় আছে, আমি গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে আছি। সকালে হালুয়া, রুটি ডিম, খেয়েছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা