kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

করোনা দুর্যোগে ইত্যাদি পরিবারের ত্রাণ বিতরণ ও সতর্কতামূলক প্রচারণা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ১৯:৩৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনা দুর্যোগে ইত্যাদি পরিবারের ত্রাণ বিতরণ ও সতর্কতামূলক প্রচারণা

করোনাভাইরাসের এই বৈশ্বিক দুর্যোগে বাংলাদেশও আক্রান্ত। এই রোগের বিরুদ্ধে চলছে আমাদের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতার যুদ্ধ। দেশব্যাপী চলছে এক ধরনের লকডাউন। ফলে দুর্বিপাকে পড়েছেন বিত্তহীন, অসহায়, দিনমজুর, রিক্সাচালক ও অস্বচ্ছল মানুষেরা। দেশের প্রান্তিক মানুষেরা করোনা সম্পর্কিত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কেও ততটা সচেতন নয়। দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির পক্ষ থেকেও তাই নেয়া হয়েছে কিছু পদক্ষেপ।

এসব পদক্ষেপে অংশগ্রহণ করেছেন ইত্যাদিতে প্রদর্শিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১ এপ্রিল বুধবার ইত্যাদির উদ্যোগে ফাগুন অডিও ভিশনের কর্মীরা এবং ইত্যাদিতে প্রদর্শিত অসহায় শিশুদের চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসা স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে (আরিফ-নাজমুল ও তাদের দল) একযোগে রাজধানীর প্রায় ১৫টি পয়েন্টে অসহায়, দিনমজুর, অস্বচ্ছল পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে। এছাড়া গত ২রা এপ্রিল ইত্যাদিতে প্রদর্শিত ফেসবুকে সেবাদানকারী মামুন বিশ্বাসের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা সদরের আলহাজ্ব সিদ্দীক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর পাশাপাশি গত ৩১ শে মার্চ থেকে ইত্যাদির উদ্যোগে চলছে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম। এসব কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছেন ইত্যাদিতে প্রদর্শিত এইসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা। তাদের সবাইকে একত্রিত করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষদেরকে সচেতন করার জন্য স্ব স্ব এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচারণার উদ্যোগ নিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত। এরই ধারাবাহিকতায় ইত্যাদিতে প্রদর্শিত ছাদ কৃষির প্রবর্তক গ্রীণ সেভার্সের প্রধান আহসান রনির তত্ত্বাবধানে নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নাটোর, পাবনা ও পটুয়াখালী জেলার ০৭টি উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নে এবং ইত্যাদিতে প্রদর্শিত ‘ওরা ১১ জন’ নামক প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে জাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন এবং শ্রেণিকক্ষে কখনও অনুপস্থিত না থাকা কক্সবাজারের শিক্ষক নূরুল ইসলামের মাধ্যমে কক্সবাজার ও রামুর ০৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন অলিগলিতে প্রচারণা কার্যক্রম ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

ইত্যাদির এইসব প্রচার বিমুখ নিঃস্বার্থ মানুষগুলো এই বৈশ্বিক মহামারী রোধে হানিফ সংকেতের উদ্যোগে একজোট হয়ে যে যেখানে যেভাবে পারছেন সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি গ্রামে-গঞ্জে মানুষকে সচেতন করার কাজ করে চলেছেন। মুখে তাদের একটিই শ্লোগান ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে মোরা পরের তরে’।


ইত্যাদির ফেসবুক থেকে

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা