kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

দেশের সর্বশেষ করোনা পরিস্থিতি

আরো দুইজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ১২:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আরো দুইজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমণে আরো দুইজন মৃত্যুবরণ করেছেন। আর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন শিশুও রয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন মোট আটজন।

আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে করোনাভাইরাস বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। ব্রিফ করেন  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের  (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাও উপস্থিত ছিলেন।

ফ্লোরা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আরো দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুবরণকারী দুজনের মধ্যে একজন গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তদের অন্তর্ভুক্ত। অন্যজনের শরীরে আগেই করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। তাঁদের একজনের বয়স ৯০ বছর এবং অন্যজনের ৬৮ বছর। একজন ঢাকার অপরজন ঢাকার বাইরে। একজনের হৃদরোগ ছিল অন্যজনের পূর্বে স্টোকের ঘটনা ছিল। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করলেন মোট আটজন।

ফ্লোরা আরো বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫৫৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৩৪টি। গত ২৪ ঘণ্টায় আরো শনাক্ত হয়েছেন ৯ জন। এর মধ্যে আটজনের নমুনা আইইডিসিআর-এ পরীক্ষা করে শনাক্ত হয়েছে। একজনের নমুনা ঢাকার বাইরে পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে। তবে এই একজনের নমুনা আইইডিসিআর-এ আবার পরীক্ষা করা হবে। 

আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, আক্রান্ত ৯ জনের মধ্যে পাঁচজনের ক্ষেত্রে কন্টাক্ট ইতিহাস রয়েছে অর্থাৎ তারা এরইমধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে এমন রোগীর পরিবারের সদস্য বা তাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। দুইজন বিদেশ থেকে এসেছেন এমন ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন। আর বাকি দুইজনের ক্ষেত্রে এখনো তথ্য সংগ্রহ চলছে। আক্রান্তদের মধ্যে দুজন শিশু রয়েছে যাদের বয়স ১০ বছরের নিচে। তিনজনের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। দুজনের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। একজনের বয়স ৬০ থেকে ৭০ বছর এবং একজনের বয়স ৯০ বছর। 

আইইডিসিআর পরিচালক আরো বলেন, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে আরো চারজন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৩০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭০ জনের শরীরে। এর মধ্যে সুস্থ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাদ দিলে বাকি ৩২ জনের মধ্যে বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১২ জন আর ২০ জন হাসপাতালে।   

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা