kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

টিসিবির রোজার বিক্রি শুরু হচ্ছে কাল থেকে

* প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ পণ্য * ১০ এপ্রিলের পর ছোলা ও খেজুর * নতুন করে বেড়েছে সয়াবিনের দাম * কমেছে ডিমে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ মার্চ, ২০২০ ১৮:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টিসিবির রোজার বিক্রি শুরু হচ্ছে কাল থেকে

মুজিববর্ষের বিক্রি শেষ করে কাল বুধবার থেকে রোজার বিক্রি শুরু করছে সরকারি বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এ সময় ৩৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে সারা দেশে পণ্য বিক্রি করা হবে। টিসিবি রোজা উপলক্ষ্যে আপাতত চিনি, মশুর ডাল, সয়াবিন তেল এই তিনটি পণ্য বিক্রি করবে।

১০ এপ্রিলের পর রোজার আগে ছোলা ও খেজুর বিক্রি শুরু করা হবে বলে সংস্থাটির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির জানান। টিসিবি চিনি ৫০ টাকা, মশুর ডাল ৫০ ও সয়াবিন তেল ৮০ টাকা কেজি বিক্রি করবে। আর ছোলা ও খেজুরের দাম নির্ধারিত হবে বিক্রির সময়। ঢাকায় ভ্রাম্যমাণ ট্রাক থাকবে ৫০টি, চট্টগ্রামে ১৬টি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ১০টি ও জেলা সদরে ৪টি। এর আগে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করে টিসিবি। যা মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশ কিছু পণ্যের দাম কমলেও আবার বেড়েছে কয়েকটি। আজ কমেছে ডিমের দাম। ৫ থেকে ১০ টাকা কমে ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা। বিপরীতে বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। ২ থেকে ৪ টাকা বেড়ে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯৬ থেকে ৯৮ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া চাল, ডাল, চিনি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে।

মানিকগরের রাফি স্টোরের বিক্রেতার মো. বাবুল বলেন, ২৭ তারিখ যে সয়াবিন বিক্রি করেছি তা আগের কেনা ছিল ফলে ২ টাকা কমে বিক্রি করতে পেরেছি। এখন যেটা বিক্রি করছি তা বেশি দামে কেনা। তাই বেশি বিক্রি করতে হচ্ছে। 

সবজির দামের তেমন পরিবর্তন হয়নি। কিছু মৌসুমি সবজির সরবরাহ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। এর মধ্যে টমেটো ও শশা অন্যম। মঙ্গলবার অনেক বিক্রেতাকে ১৫ থেকে ২০ টাকায় টমেটো বিক্রি করতে দেখা গেছে। শশা বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। এ ছাড়া উসতার মৌসুম শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দাম ৪০ টাকার মধ্যেই রয়েছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করেই। পেঁয়াজের দাম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ও দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি।

এ ছাড়া গরুর মাংস আগের ৫৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে অনেক বাজারে গরুর মাংস বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন ক্রেতা না থাকায় সারা দিনে একটি গরুও বিক্রি শেষ করা যায় না। তাই আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম আরো কমেছে। কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। 

এদিকে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে দেশজুড়ে সবকিছু অঘোষিত লকডাউন থাকলেও রাজধানীর বাজারগুলোর চিত্র ভিন্ন। মুখে মাস্ক থাকলেও একে অপরের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বাজার করছেন। বাজার করতে এসে নিরাপদ দূরত্বের তোয়াক্কা করছেন না নগরবাসী। মঙ্গলবার রাজধানীর মানিকনগর, মুগদা, মিরপুরের শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, তালতলাসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা