kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

হাম উপদ্রুত পাহাড়ে জরুরি সহায়তার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক    

২৮ মার্চ, ২০২০ ১৫:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাম উপদ্রুত পাহাড়ে জরুরি সহায়তার আহ্বান

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রত্যন্ত এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে 'বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম' ও 'কাপেং ফাউন্ডেশন'।

আজ শনিবার (২৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে সেখানকার দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

এসব দাবিতে বলা হয়েছে, মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে সার্বক্ষণিক, নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে; আক্রান্ত রোগীদের বিনামূল্যে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে; সর্বোপরি ওই এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাবের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থাগ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়ন এবং বান্দরবন জেলার লামা উপজেলার লামা ইউনিয়নে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। মাস খানেক পূর্বেই দেখা দেওয়া এই হামের প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত অন্তত ৩০০ জন শিশু আক্রান্ত ও আটজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ অবস্থায় সেখানকার জনগণ যথেষ্ট উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন যাপন করছে। বিষয়টিকে আমলে নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, সাজেক উপজেলার ছয়টি গ্রামের প্রায় ২৫০ জন হামে আক্রান্ত হয়। এরমধ্যে তুইছুই মৌজার অরুণপাড়ার অবস্থা খুবই খারাপ। সেখানে ২০ দিনের ব্যবধানে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

আক্রান্ত অন্য গ্রামগুলো হলো লংথিয়ান পাড়া, কমলাপুর চাকমা পাড়া, নিউথাং/নতুনপাড়া ও হাইচ্যাপাড়া। আর লামা উপজেলার লামা ইউনিয়নের ম্রো অধ্যুষিত লাল্যাপাড়ায় ৪২ জন আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্য থেকে চার মাসের এক শিশু মারা গেছে। এছাড়া সেখান থেকে গত ১৬ মার্চ ৩১ জন শিশু ও দুজন প্রাপ্তবয়স্ক রোগীকে ট্রাকে করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো কোনো সরকারি স্বাস্থসেবা পৌঁছায়নি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা