kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

জুমায় উপস্থিতি সীমিত করার পরামর্শ দিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ মার্চ, ২০২০ ০৭:৩১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জুমায় উপস্থিতি সীমিত করার পরামর্শ দিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফাইল ফটো

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জুমার নামাজে উপস্থিতি সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই আহ্বান জানানো হয়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের পরামর্শ অনুযায়ী জুমাসহ সকল জামাআতে মুসল্লিদের উপস্থিতি সীমিত রাখার এবং ভাইরাস সংক্রমণ হতে সুরক্ষা নিশ্চিত না হয়ে মসজিদে না যাওয়ার আহবান জানায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এতে বলা হয়, যাদের হাঁচি, কাশি কিংবা জ্বর রয়েছে তাদেরকে বাসায় বসে জুমার পরিবর্তে জোহরের নামাজ পড়ার আহবান করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি বয়স্ক মুসল্লিদের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আপাতত কিছুদিন সব নামাজই বাসায় পড়তে অনুরোধ করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের পরামর্শ অনুযায়ী এই বার্তা পাঠানো হয়েছে।

ভাইরাসটির বিস্তার ঠেকাতে বৃহস্পতিবার থেকে ১০ দিনের ছুটি শুরু করেছে বাংলাদেশ। এই সময়ে সবাইকে ঘরে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। এছাড়া সবাইকে অন্যদের থেকে অন্তত তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে চলতে বলা হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে জনসমাগম কমিয়ে আনতে সৌদি আরব, কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য মসজিদ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নামাজ বন্ধ করা হয়েছে মক্কা ও মদীনার মসজিদেও।

বাংলাদেশে এখনও মসজিদ বন্ধের সিদ্ধান্ত না হলেও ঘরে বসেই নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অন্য ধর্মের মানুষদেরও ঘরেই প্রার্থনা করতে আহ্বান জানানো হয়। এবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনও সেই আহ্বান জানাল।

এর আগে মঙ্গলবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে আগারগাঁও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আলেম ও ওলামারা এক সভা করেন। সভায় ‘কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মহামারী ও দুর্যোগকালীন সময়ে ইসলামের বিধি-বিধান অনুসরণের’ ক্ষেত্রে মসজিদে নামাজের জামায়াতে উপস্থিতি সীমিত করার আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত হয় বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

এতে বলা হয়, আলেম-ওলামারা দেশের মুসলমানদের উদ্দেশে চারটি আহ্বান জানিয়েছেন। এগুলো হলো-

১. করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে এবং মানুষের ব্যাপক মৃত্যুঝুঁকি থেকে সুরক্ষার জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে সব ধরনের জনসমাগম বন্ধের পাশাপাশি মসজিদসমূহে জুমআ ও জামাআতে সম্মানিত মুসল্লিগণের উপস্থিতি সীমিত রাখা হবে।

২. মসজিদ বন্ধ থাকবে না, তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হতে সুরক্ষা নিশ্চিত না হয়ে মসজিদে গমন করবেন না।

৩. সরকার ও বিশেষজ্ঞগণ সতর্কতার জন্য যেসব নির্দেশনা প্রদান করছেন তা মেনে চলার জন্য জনগণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

৪. সবাইকে অপরাধমূলক কাজকর্ম থেকে বিরত হয়ে ব্যক্তিগতভাবে তওবা, ইস্তিগফার ও কুরআন তিলাওয়াত অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা