kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

অতি দরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ৬৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মার্চ, ২০২০ ২৩:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অতি দরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ৬৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ

ঢাকা মহানগরীর জয়নাগ রোডের ফুটপাতের চা বিক্রেতা আব্দুল মালেক দুদিন হয় রাস্তায় বসতে পারছেন না। তার ফুটপাতের চা দোকানটি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। তাই সে আর চা পান ও সিগারেট বিক্রি করতে পারছেনা। অথচ তার সামান্য এই দোকানের ক্ষুদ্র আয়ে ১১ জনের পরিবার চলছে। জানালেন, আর দুদিন এভাবে চলতে থাকলে পেটে ভাত জুটবেনা। কামরাঙ্গি চরের হুজুর পাড়ার ভ্যান চালক সগির পায়ে আঘাত পাওয়ায় গত সপ্তাহ যাবত ভ্যান চালাতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে দিন পার করছেন। তিনি সুস্থ হলেও এবার করোনা পরিস্থিতির কারনে কাজে যেতে পারছেন না।

শুধু মালেক আর ছগির নয় এভাবে সারাদেশে অনেক দিনমজুর, চা বিক্রেতা করোনা পরিস্থিতির কারনে কর্মহীন হয়ে এখন ঘরে বসে আছে। তাদের সাহায্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা মহানগরীসহ দেশের ৬৪ জেলায় ৬ হাজার ৫০০ শত মেট্রিক টন চাউল ও নগদ ৫ কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ করেছেন।

দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে এই বরাদ্ধ ইতিমধ্যে দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌছে গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান কালের কন্ঠকে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে দেশের প্রতিটি জেলায় অতি দরিদ্রদের জন্য ত্রান সহায়তায় হিসেবে বরাদ্দগুলো পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে বরাদ্দকৃত ত্রান বিতরণ করবেন।

দুযোর্গ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (ত্রাক-১) মো: শাহজাহান স্বাক্ষরিত বরাদ্দ পত্রে দেখা যায় প্রতিটি জেলার আয়তন ও দরিদ্রদের সংখ্যা অনুযায়ী চাল একশ টন থেকে দু’শ টন ও নগদ টাকা সাত লক্ষ থেকে বিশ লক্ষ পর্যন্ত জেলাওয়ারী বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। স্ব স্ব জেলা প্রশাসকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দিবেন।

 এ বিষয়ে ত্রান প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান কালের কন্ঠকে বলেন, বরাদ্দপত্রে ত্রান বিতরণে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকলেও জেলা প্রশাসকদের মৌখিকভাবে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাতে জেলা প্রশাসকরা ইচ্ছে করলে খিচুরী রান্না করেও দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করতে পারবেন। এছাড়া চাল ও নগদ টাকাতো দিতে পারবেনই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা