kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

'মাদকাসক্ত ও বিবাহিত' বিপ্লবকে বানানো হলো কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি

হায়দার আলী   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৫:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'মাদকাসক্ত ও বিবাহিত' বিপ্লবকে বানানো হলো কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি

বিপ্লবের বিয়ের ছবি

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকার পারভেজ হোসেন বিল্পবকে নিয়ে অনেক অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে শুধু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগই নয়, তিনি এলাকার চিহ্নিত ইয়াবাসক্ত এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত। সম্প্রতি উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে বিয়ে করে সংসারও পেতেছেন তিনি। অনেকেই তার বিয়ের দাওয়াত খেয়েছেন। অথচ এই বিবাহিত, মাদকাসক্ত ও বিতর্কিত বিপ্লবকে থানা ছাত্রলীগের সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। 

গতকাল বুধবার মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদের সই করা এক চিঠিতে এক বছরের জন্য পারভেজ হোসেন বিল্পবকে সভাপতি ও এম এইচ মাসুদ মিন্টুকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। 

ওই কমিটি ঘোষণার পর পরই কামরাঙ্গীরচর নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মোটা অংকের টাকা খেয়ে একজন ভয়ংকর ক্যাডার, মাদকাসক্ত, বিবাহিত অছাত্রকে থানা সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের আইন ভঙ্গ করে ত্যাগী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পদবঞ্চিত করে শুধু  অর্থের লোভে এই পদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। 

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের ১৭ আগস্ট হাজারীবাগ এলাকার ভাগলপুর লেনের বাবুল মিয়ার একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করেন বিপ্লব। ওই বিয়েতে উকিল দেয়া হয় ৫৬ নম্বার ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে আলীফ হোসেনকে।

একজন অছাত্র ও বিবাহিতকে ছাত্রলীগের পদ দেওয়া বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ বলেন, সাধারণ সম্পাদক মিন্টুকে সাধারণ সম্পাদক করার বিষয়ে আমার ভূমিকা ছিল। কিন্তু বিপ্লবের বিষয়ে মেহেদী হাসান পিড়াপিড়ি করেছেন এবং ওপরের থেকে চাপ ছিল। এখন আমরা কি করবো ভাই? বিষয়টি আপনি মেহেদীর সঙ্গে কথা বলেন। 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, কামরাঙ্গীরচর থানায় তিনজন প্রার্থী ছিল। তিনজনই বিবাহিত বলে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। তাছাড়া সাজানো ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিবাহিত হওয়ার কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি। এই তিনজনের বাইরে কেউ প্রার্থী ছিলো না বলেই দুজনকে বেছে নিয়েছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা