kalerkantho

শনিবার । ২১ চৈত্র ১৪২৬। ৪ এপ্রিল ২০২০। ৯ শাবান ১৪৪১

চট্টগ্রামের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান

চট্টগ্রাম সমিতি ঢাকার নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান হয়েছে মঙ্গলবার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস। বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে বর্তমান সরকার অনেক প্রকল্প হাতে নিলেও বেশ কিছু প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি বলে অভিযোগ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এক্ষেত্রে তারা প্রকল্পের কাজ তরান্বিত করতে মুখ্যসচিবের  সহযোগিতা চান।
রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সদ্যবিদায়ী সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্যসচিব মো. আবদুল করিম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল মাবুদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব মো. দিদারুল আনোয়ার,  সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. হারুন অর রশিদ, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবু আলম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক প্রমুখ।
আলোচকরা বলেন, অনুমোদনের দশ বছর পরও আলোর মুখ দেখেনি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল লাইন প্রকল্প। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্প, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। বাংলাদেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে হলে চট্টগ্রামকে অবহেলা করে সম্ভব নয়। তাই চট্রগ্রামের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়ার  আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, 'সমিতির মাধ্যমে আমাদের একত্রিত হওয়ার সুযোগ হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের অনেক বরেণ্য ব্যক্তি আছেন। তবে একজন সাধারণ মানুষ হলেও আমাকে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করায় আমার অগ্রজ ও চট্রগ্রাম সমিতির কাছে কৃতজ্ঞ। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমার পক্ষ থেকে যেটুকু করা সম্ভব তার সবটুকু করবো।'
নবনির্বাচিত সভাপতি আবদুল মোবারক বলেন,  'ইতিহাস ও ঐতিহ্যে চট্রগ্রাম সমৃদ্ধ। একসময় দুই বাংলার প্রখ্যাত কবি সাহিত্যিকদের অধিকাংশ ছিলেন চট্রগ্রামের। আমাদের সেসব অর্জনকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে হবে। সমিতির পক্ষ থেকে সাহিত্যিক স্মরণ ও সাহিত্য সম্মেলন করা হবে। আগে থেকেই চট্টগ্রামকে তুলে ধরতে সমিতির উদ্যোগে কবিগান ও পুঁথি পাঠের আসর করা হয়।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা