kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

দুর্নীতির মামলায় ডেসটিনি এমডির তিন বছর জেল

৫০ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০৪:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্নীতির মামলায় ডেসটিনি এমডির তিন বছর জেল

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮-এর বিচারক শামীম আহাম্মদ এই রায় দিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আদালত রায়ে বলেছেন, রফিকুল আমীনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় তাঁকে সাজা দেওয়া হলো। রায়ের সময় রফিকুল আমীনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাঁকে ফের কারাগারে পাঠানো হয়।

রফিকুল আমীনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে করা দুটি মামলার তদন্তকালে জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত তাঁর সম্পদের তথ্য পায় দুদক। পরে ২০১৬ সালের ১৬ জুন দুদক তাঁকে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করার জন্য নোটিশ দেয়। রফিকুল তখন কারাগারে ছিলেন। সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে না পারায় তিনি সময় চান। দুদকের দেওয়া আরো সাত দিন সময়েও তিনি হিসাব বিবরণী দাখিল করেননি। পরে একই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রমনা মডেল থানায় এ মামলা করে দুদক। ২০১৭ সালের ৬ জুন রফিকুল আমীনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। পরের বছরের ১২ মার্চ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

রফিকুল আমীনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগে আরো দুটি মামলা বিচারাধীন। ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রফিকুল আমীনসহ ডেসটিনি গ্রুপের ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় এ দুটি মামলা করে দুদক। ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ (এমএলএম) ও ট্রি-প্লান্টেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দুটি করা হয়। ওই বছরের ১১ অক্টোবর তাঁরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই থেকে রফিকুল আমীন কারাগারে আছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা