kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

পাখিরা ভালো থাকলে মানুষ ভালো থাকবে

জাবিতে দিনব্যাপী পাখি মেলা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০৮:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাখিরা ভালো থাকলে মানুষ ভালো থাকবে

ফাইল ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল শুক্রবার হয়ে গেল দিনব্যাপী পাখি মেলা। এ আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও মেলার আহ্বায়ক কামরুল হাসান বলেন, ‘পাখির মাধ্যমেই আমরা জানতে পারি পরিবেশ কেমন আছে। তারা ভালো থাকলে, পরিবেশ ভালো থাকলে, আমরা ভালো থাকব।’

গতকাল সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সামনে ‘পাখি মেলা-২০২০’ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। মেলার এবারের স্লোগান ‘পাখপাখালি দেশের রত্ন, আসুন করি সবাই যত্ন’।

উপাচার্য বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পাখির অভয়ারণ্য নিরাপদ রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ জন্য পাখিবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে অনেক জলাশয় লিজমুক্ত রাখা হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় পাখি রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক।

পাখি মেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ, অধ্যাপক ড. মো. মফিজুল কবির, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সোহায়েল, পাখি বিশেষজ্ঞ ড. ইনাম আল হক, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচারের (আইইউসিএন) বাংলাদেশ প্রতিনিধি রাকিবুল আমিন প্রমুখ।

দিনব্যাপী পাখিমেলায় অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিল আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় পাখি দেখা প্রতিযোগিতা, পাখিবিষয়ক আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শিশু-কিশোরদের জন্য পাখির ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা, টেলিস্কোপ ও বাইনোকুলার দিয়ে শিশু-কিশোরদের পাখি পর্যবেক্ষণ, পাখির আলোকচিত্র ও পত্রপত্রিকা প্রদর্শনী, পাখিবিষয়ক আলোচনা, আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় পাখি চেনা প্রতিযোগিতা (অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে) এবং পাখিবিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা। সব শেষে ছিল পুরস্কার বিতরণী পর্ব।

পাখি দেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেবপ্রিয় বিশ্বাস, সুলতান আহমেদ, আশিকুর রহমান, তাহসিনা সানিয়াত এবং দ্বিতীয় হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিমুল নাথ, দুর্জয় রাহা অন্তু, আনিতা শাহরিয়ার ও সজীব বিশ্বাস।

গত এক বছরে বাংলাদেশের পাখির ওপর সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক ছাত্র ড. মমিনুল ইসলাম নাহিদকে ‘সায়েন্টিফিক পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। এ ছাড়া গত এক বছরে গণমাধ্যমে পাখি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত প্রকাশিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তিনজন সংবাদকর্মীকে ‘কনজারভেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা