kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৫০ বছরে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০২:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৫০ বছরে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগ

পঞ্চাশ বছরে পদার্পণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ। ‘অ্যাকাউন্টিং ফর অ্যাকাউন্টিবিলিটি’ প্রতিপাদ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করছে বিভাগটি।

গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ।

আরো উপস্থিত ছিলেন রবির সিইও মাহতাব উদ্দীন আহমেদ, ঢাবির বিজনেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বদেশ রঞ্জন সাহা। স্বাগত বক্তব্য দেন উত্সব আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এম মঈন উদ্দীন খান। সমাপনী বক্তব্য দেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রিয়াজুর রহমান চৌধুরী। 

উত্সবের শুরুতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেন বিভাগটির বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। আমন্ত্রিত অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে বিভাগের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তী সময়ে সাবেকদের স্মৃতিচারণা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আয়োজন শেষ হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘দেশের প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই অ্যাকাউন্টিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রায় অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। সভ্যতার মাপকাটিতে দেশকে যাতে বিশ্বমানে নিয়ে যেতে পারি, সে জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।’

উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য অ্যাকাউন্টিং ফর অ্যাকাউন্টিবিলিটি বার্তাটি আমাদের সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণেও জবাবদিহির কথা রয়েছে। জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারলে এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।’

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সফলতা সহজে আসে না। একসময় আমাদের দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা খুব বেশি ভালো ছিল না। তখন কলা ও বিজ্ঞানের বিষয়ের প্রতি মানুষের চাহিদা বেশি ছিল। তবে বর্তমান সময়ে ব্যবসায় বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেড়েছে। এসব কারণে আমাদের অর্থনীতির অগ্রগতিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা