kalerkantho

শনিবার । ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

হাইকোর্টের মন্তব্য

ঢাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন’ শহর ঘোষণা করা উচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ১৯:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন’ শহর ঘোষণা করা উচিত

ফাইল ফটো

ঢাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন’ শহর হিসেবে ঘোষণা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। 

আদালত বলেছেন, পত্র-পত্রিকায় দেখলাম, দূষণের দিক থেকে বিশ্বের এক নম্বর শহর ঢাকা। ঢাকাকে সারাবিশ্বে সবচেয়ে খারাপ শহর বলা হচ্ছে। 

আদালত বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেয়ে পরিবেশ রক্ষায় বক্তব্য দিচ্ছেন। পরিবেশ নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছেন। সরকার প্রধানের উৎকণ্ঠা দূর করা উচিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। অথচ আমাদের দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সেভাবে কর্মতৎপরতা দেখা যায় না। একারণেইতো ঢাকাকে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ শহর বলা হচ্ছে।

বুড়িগঙ্গা নদী দূষণরোধে চলমান এক মামলার শুনানিকালে এ মন্তব্য করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ মন্তব্য করেছেন।
 
মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক রিট মামলায় জারি করা রুলের ওপর শুনানির ধারাবাহিকতায় প্রসংগটি উঠে আসে। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আমাতুল করিম। রিট আবেদনকারীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। ঢাকা ওয়াসার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট উম্মে সালমা। আর শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আনিুসর রহমান রায়হান। 

আজ শুনানিতে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, এখন যেহেতু ঢাকা সবচেয়ে দুষিত নগরী, তাই গোটা ঢাকা শহরটাকেই ইকোলোজিক্যাল ক্রিটিক্যাল এরিয়া ঘোষণার সময় এসেছে।

এদিকে বুড়িগঙ্গা নদী দূষণরোধে আইন অনুযায়ী ঢাকা ওয়াসা দায়িত্ব পালন না করা, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করা, লিখিতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করায় ঢাকা ওয়াসার বিষয়ে আগামীকতাল বৃহস্পতিবার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। 

এইচআরপিবি’র করা রিট মামলায় হাইকোর্ট ২০১১ সালে এক রায়ে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর থেকে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। এছাড়া নদীর পানি যাতে দুষিত না হয় সেজন্য সব ধরণের বর্জ্য ফেলা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু এখনও কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান ও ওয়াসার সুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে তরল বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। যা নদীর পানিকে দূষিত করছে। যা এইচআরপিবি’র পক্ষ থেকে আদালতের নজরে আনা হয়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা