kalerkantho

বুধবার । ২৫ চৈত্র ১৪২৬। ৮ এপ্রিল ২০২০। ১৩ শাবান ১৪৪১

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

চট্টগ্রামের উপনির্বাচনে প্রবাসী বন্দি মৃতদেরও ভোট পড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক    

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০২:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামের উপনির্বাচনে প্রবাসী বন্দি মৃতদেরও ভোট পড়েছে

সদ্য অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে মৃত, প্রবাসী ও কারাবন্দিদের নামেও ভোট দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট ডাকাতি হয়, চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে তা প্রমাণ হয়েছে। বিএনপি এই আসনের ভোট বাতিল করে ব্যালট পেপারে পুনর্নির্বাচন চায়। একই সঙ্গে আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করতে বিএনপি মহাসচিবের আহ্বানসংবলিত একটি চিঠি সিইসিকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের উপনির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, ‘ইভিএমে মৃত ভোটার ভোট দিতে পারে না। বিদেশে থেকেও কারো পক্ষে ভোট দেওয়া সম্ভব না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। যদি দেখা যায় যে প্রকৃতপক্ষেই কোনো মৃত ব্যক্তির  পক্ষে কেউ ভোট দিয়েছে, তাহলে অবশ্যই বুঝতে হবে সিস্টেমের কোথাও সমস্যা আছে। ইভিএম তো আর দোষ করতে পারে না। এই দোষের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হবে।’

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের উপনির্বাচনে ১৭০টি ভোটকেন্দ্রের সবই দখল করে নেয় ক্ষমতাসীনরা। কমিশনের ঘোষণা ছিল যে কেন্দ্রের বাইরে কেউ থাকতে পারবে না, গাড়ি ও মোটরসাইকেল চলবে না। কিন্তু সেখানে চট্টগ্রাম বিভাগের সব মেয়র, কাউন্সিলর, আওয়ামী লীগ নেতাদের অবস্থান দৃশ্যমান ছিল। সবাই সরাসরি কেন্দ্র দখল করেছে, মিছিল করেছে। ভোট কক্ষ  দখল করে নিয়েছে। 

তিনি বলেন, কোনো ভোটারের ফিঙ্গার ম্যাচিং না হলে ১ শতাংশ ফিঙ্গার ম্যাচিংয়ের দায়িত্ব ছিল সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের। সেই ১ শতাংশে মৃত, কারাবন্দি ও প্রবাসীদের ভোট দেখানো হয়েছে। তা ছাড়া ইসির আইটি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিটের পাসওয়ার্ড নিয়ে আরো ১০ শতাংশ (মৃত, প্রবাসী ও কারাবন্দি) ভোট দিয়েছে দখলদাররা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা