kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ধানমণ্ডিতে হাসপাতাল ও শপিং মল সমিতির সংঘর্ষ, আহত ১২

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০১:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধানমণ্ডিতে হাসপাতাল ও শপিং মল সমিতির সংঘর্ষ, আহত ১২

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে দোকান নিয়ে বিরোধের জেরে ল্যাবএইড হাসপাতাল কর্মী এবং কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিং মল মালিক সমিতির সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া ল্যাবএইড হাসপাতালের প্রধান নিরাপত্তাকর্মী নাসির উদ্দিনকে তাজ ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনা নিয়ে উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছে।

ল্যাব এইডের জনসংযোগ কর্মকর্তা চৌধুরী মেহের-এ-খুদা দীপ বলেন, কনকর্ড আর্কেডিয়ার তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ৪-৫টি দোকান কিনেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দোকানগুলোতে রঙ করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আজ তিন শ্রমিককে পাঠায়। কিন্তু মালিক সমিতির সভাপতি সানাউল হক মীর ও সাধারণ সম্পাদক মোক্তের হোসেইন শ্রমিকদের চড় দেন এবং সেখান থেকে বের করে দেন। 

হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রধান তাজসহ তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সার্বিক অবস্থা দেখতে মার্কেটে যান। সেখানে মার্কেট সমিতির ১৫-২০ জন লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দীপ দাবি করেন, ‘শ্রমিকদের মারধরের ব্যাপারে হাসপাতাল কর্মকর্তারা জানতে চাইলে, মার্কেট সমিতির সদস্যরা তাদের আটকে রেখে হামলা চালান। এসময় সমিতির সভাপতি সানাউল হক পিস্তল বের করে তাজের দিকে গুলি করেন। তবে অল্পের জন্য তিনি বেঁচে যান। সমিতির সদস্যরা ইটপাটকেল ছোড়েন এবং হাসপাতালের ক্যাফেটেরিয়ায় ভাঙচুর চালান। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’ 

ঢাকা মহানগর পুলিশের ধানমণ্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসিন উজ জামান বলেন, ‘আমরা অস্ত্র পরীক্ষা করেছি, সানাউলের অস্ত্রের লাইসেন্স আছে।’

মালিক সমিতির নির্বাহী সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, ‘মার্কেটে ল্যাবএইড অনেকগুলো দোকান নিলেও কোনো সার্ভিস চার্জ দেয়নি।

সমিতিতে যথাযথ আবেদনের মাধ্যমে দোকান খোলার কথা বলা হলে তারা সেটি করতে রাজি হয়নি এবং জোর করে দোকান খোলার চেষ্টা করে। এরপরই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে যাতে ছয়জন নিরাপত্তাকর্মী এবং সমিতির সদস্য আহত হন।’ আত্মরক্ষায় সমিতি সভাপতি গুলি চালান বলে দাবি করেন তিনি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় দুই পক্ষের চারজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে আসলেই সেখানে কী ঘটেছিল।  শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা