kalerkantho

বুধবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ১ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের আয়োজনে

কেরানীগঞ্জে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া উৎসব

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ২১:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেরানীগঞ্জে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া উৎসব

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বাড়ছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর সংখ্যা। এসব শিশু সাধারণ শিশুদের চেয়ে ব্যতিক্রম, একেবারেই পৃথক তাদের শিখন ও বিনোদনের কৌশল। এই শিশুদের বিনোদনের সুযোগ দিতে ভিন্ন একটি দিন উপহার দিল অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।

সম্প্রতি রাজধানীর সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ছাত্র-ছাত্রীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কেরানীগঞ্জের শ্যামলাপুরে এডব্লিউএফের নিজস্ব ক্যাম্পাসে ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের গভর্নিং বডির সদস্য এবং রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার চেয়ারপারসন ডা. রওনাক হাফিজ।

অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠোপোষকতায় ছিল রানার গ্রুপ অব কম্পানিজ। অনুষ্ঠানে বিএসআরএম গ্রুপের সিএসআর, পিআর ও কমিউনিকেশনের প্রধান রুহী মুরশীদ আহমেদ, রানার ও কনফিডেন্স গ্রুপের পরিচালক, অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের গভর্নিং বডির সদস্য, অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রী অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সহযোগিতার জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অটিজম আক্রান্ত বিশেষ শিশুদের নিয়ে ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু ২০০৪ সালের ৪ এপ্রিল। ৩২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এর পথচলা শুরু হলেও বর্তমানে নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৭০ জন, স্যাটারডে ও আরলি স্টিমুলেশন প্রোগামে ৪০ জন। শিক্ষক সংখ্যা ৭০ জন, অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারী ২৫ জন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অটিজম আক্রান্ত বিশেষ শিশু/কিশোররা সঠিক পরিচর্যা ও প্রশিক্ষণ পেলে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে এবং তারাও মেধার ভিত্তিতে অবস্থান করে নিতে পারে সমাজের মূলস্রোতে। এই বিশ্বাসকে সামনে রেখেই আধুনিক শিক্ষা-পদ্ধতির পাশাপাশি সুন্দর পরিবেশে যুগোপযোগী, কর্ম ও বিনোদনমুখী প্রশিক্ষণের আয়োজন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। নিয়মিত শিক্ষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও খেলা-ধুলা বিষয়েও নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ আর বিজয় উল্লাসে মুখরিত হয় সারাদিন, যা পরিণত হয় বিনোদনের এক মহাউৎসবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা